১ ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন যোগে বোবায় দরে কেন এবং ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে বোবায় দরে কেন ও আমারা ঘুমাইলে স্বপ্নে দেখি কেন এবং আমরা আমাদের পূর্ব পুরুষদের কাছ থেকে কেবল সব সময় শুনে আসছি সাধারণত্ব স্বপ্ন দুই প্রকার যেমন একটি স্বপ্ন সাধারণত্ব ঘুমের মধ্যে শয়তানে দেখাইয়া থাকে অপরটি ফেরেস্তারা দেখাইয়া থাকে এবং সাধারণত্ব যেই স্বপ্নটি শয়তানে দেখাইয়া থাকে ঐ স্বপ্নটি সাধারণত্ব কখনোই বাস্তবে পরিণতও হয়না এবং যেই স্বপ্নটি ফেরেস্তারা দেখাইয়া থাকে ঐ স্বপ্নটি পুরো বাস্তবে পরিণত হইয়া থাকে এবং এই হচ্ছে আমাদের পূর্ব পুরুষ দের মুখের কথা এবং এবার একটু ভালো ভাবে চিন্তা ভাবনা করিয়া দেখা যাক আমার খুদ্র জ্ঞানে কিবলে
২ দ্বিতীয় প্রথমে আমরা সাধারণত্ব ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে দেখি কেনও এবং আমরা সারা দিন হাটা চলা অথবা কর্ম করিয়া থাকি এবং যে জাহাই করিনা কেন যখন রাত হয় তখন আমরা সাধারণত্ব ক্লান্ত হইয়া ঘুমাইতে যাই এবং ক্লান্ত হওয়ার কারনেই কেবল আমাদের চোখে ঘুম আসে এবং আমরা যখন ঘুমিয়ে পরি তখন আমাদের বিশেষ কোন হুস জ্ঞান থাকেনা আমরা এক কথায় শেষ করা যায় যে আমরা যখন ঘুমিয়ে পরি তখন আমাদের বিশেষ কোন রকম জ্ঞান থাকেনা এবং আমরা যখন বিছানায় ঘুমাতে যাই তখন আমাদের মনে কিছুনা কিছু চিন্তা ভাবনা আসে আর ঐ চিন্তা ভাবনা করিতে করিতে এক সময় আমরা ঘুমিয়ে পরি এবং ঘুমের আগে বিছানায় শুইয়া যেই বিষয় চিন্তা করিতে করিতে ঘুমিয়ে পরি এবং ঘুমের মধ্যে ঐ বিষয় বিশেষ কিছু দেখিতে থাকি এবং এমনও হইয়া যায় যে আমাদের স্বপ্ন গুলো প্রায় সত্যি হইয়া যায় এবং এখানে আসল কথা হচ্ছে আপনি অথবা আমি বিশেষ কোন একটা কাজ করার উদ্দেশ্য আছে এবং ঐ কাজের ব্যাপারে সকল সময় চিন্তা ভাবনা করিয়া থাকি অবশেষে ঐ ব্যাপারে রাতে ঘুমের ঘরেও স্বপ্নে দেখিয়া থাকি এবং স্বপ্নে দেখার কিছু দিনের বিতরেই কেবল ঐ কাজে আপনি সফলতা পেয়েছেন এবং সফলতা পাবার পরে আপনি ভাবতেছেন যে আপনার স্বপ্ন সত্যি হইয়া গিয়েছে এবং এখানে কিন্তু আসলে আপনার স্বপ্ন সত্যি হয় নাই আপনার পরি কল্পনা অনুযায়ী আপনি কাজ করিয়াছেন আর আপনার হার বাঙ্গা শ্রম ও কাজের বিনিময় আপনি সফল হইয়াছে এবং ইহাতে আপনার স্বপ্নের সাথে বিশেষ কিছুই মিল নাই আমি বলবো
৩ তৃতীয় আমাদের পূর্ব পুরুষেরা বলেছেন যে সাধারণত্ব স্বপ্ন দুই প্রকারের এবং একটি স্বপ্ন দেখাইয়া থাকে শয়তানে অপরটি দেখাইয়া থাকে ফেরেশতারা এবং এখানে আমি বলবো আমাদের কে সাধারণত্ব স্বপ্ন শয়তানেও দেখায়না আবার ফেরেস্তারাও দেখায়না এবং আমাদের স্বপ্ন দেখা গুলো হচ্ছে আমাদের দৈনন্দিন জিবনের কাজ কর্ম চিন্তা ভাবনার উপরে নির্ভর করিয়া আমরা রাতে ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখিয়া থাকি এবং ইহা বেতিত অন্য কিছুই নয়
৪ চতুর্থ রাতে সাধারণত্ব ঘুমের মধ্যে বোবায় দরে কেন এবং আপনি অথবা আমি অথবা আমরা সকলে সাধারণত্ব রাতে বিছানাতে শুইতে যাই যখন তখন আমরা কিছুনা কিছুর বিষয় চিন্তা করিতে করিতে ঘুমিয়ে পরি এবং এক সময় যখন ঘুমিয়ে পরি তখন ঐ ঘুমানের আগে যেই বিষয় চিন্তা করিতে ছিলাম ঐ বিষয় হইতে ঘুমের মধ্যে হটাত করিয়া মুহূর্তের মধ্যেই কেবল অন্য আর একটি বয়ংকর চিন্তায় বিবোর থাকি ঘুমের মধ্যে এবং ঘুমের মধ্যে যেই বয়ংকর চিন্তাটি সাধারণত্ব করিতে থাকি ঐ চিন্তাটি হতেও পারে আমাকে কেউ মারিয়া ফেলিতে চায় অথবা হটাত করিয়া বাঘের থাবারে পরিয়া গিয়েছি অথবা কোন বিষ দর সাপে আমাকে ছোবল দিতে চাইছে এবং এই রকম বয়ংকর কিছু দেখিতে পাইতেছি জাহার কারনে আমি অথবা আপনি অনেক বয় পাইয়া নির্বাক হইয়া পরি তখন আর মুখে ভাসা অথবা কথা আসেনা এবং জাহার কারনে তখন নিরুপায় হইয়া বোবাদের মতোই গেউ গেউ সব্দ করিতে থাকি এবং ঐ সময় আমাদের বলার কথা হচ্ছে কে কোথায় আছ আমাকে বাচাও কিন্তু মুখে ভাসা আসেনা বলেই কেবল গেউ গেউ সব্দ করিতে থাকি এবং ইহাকেই কেবল বলা হয় স্বপ্নে বোবায় দরে এবং এই রকমও প্রমান আছে আমাদের দৈনন্দিন জিবনে আমরা অনেকে অনেক বিপদে পরিয়া থাকি কিন্তু যখন আমরা কোন বিপদে পরি তখন আমাদের মুখে অতি সহজে ভাসা অথবা কাউকে ডাকার মতো উপস্থিত জ্ঞান থাকেনা এবং তেমনি ভাবেই রাতে ঘুমের মধ্যে বোবায় দরিয়া থাকে
৫ পঞ্চম যখন কাউকে রাতে ঘুমের মধ্যে বোবায় দরে তখন সে গেউ গেউ করিয়া ডাকিতে অথবা কাদিতে থাকে এবং এই বিপদ জনক সময় টাতে যদি তাহার সাথে বিশেষ কোন মানুষ না থাকে তাহা হইলে ঐ বেক্তি ব্রেন লস্ট হইয়া পাগল হইয়া জাবার সম্বাবনা আছে অথবা বেহুস হইয়া মারা জাবার সম্বাবনা আছে এবং এই ভাবে যদি সে বিরতিহীন ভাবে গেউ গেউ করিয়া ডাকিতে অথবা কাদিতে থাকে তাহা হইলে সে হটাত করিয়া ব্রেন লস্ট হইয়া পাগল হবার সম্বাবনা বেসি এবং যদি এই দরনের রুগি হটাত ব্রেন লস্ট হইয়া পাগল হইয়া যায় তাহা হইলে ঐ পাগল অদুর ববিষ্যতে ভাল হবার সম্বাবনা অনেক কম কারন এই দরনের পাগল আমাদের দেশ হইতে শুরু করিয়া গোটা বিশ্বে অনেক আছে জাহা আর কখনোই ভাল হয় নাই
৬ ষষ্ট ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে বোবায় দরার পরে যদি বিরতিহীন ভাবে গেউ গেউ করিয়া ডাকিতে অথবা কাদিতে থাকে তাহা হইলে হটাত করিয়া সে বেহুস হইয়া পরিয়া থাকিবে এবং আপনাদের এই টা কেবল জানা আছে যে যদি কেহ বেহুস হইয়া পরে তাহা হইলে তাহার মুখের বিতরে দাতে দাত খিল লাগিয়া যায় এবং সাথে সাথে যদি তাহার মুখে চামচ অথবা শক্ত কিছু ডুকিয়ে দাতের খিল না ছুটায় তাহা হইলে ঐ রুগি কিছু খনের বিতরেই কেবল হৃদপিণ্ড ছিরিয়া অথবা ফাটিয়া মারা জাবার সম্বাবনা থাকে এবং যেই বেক্তির ঘুমের মধ্যে বোবায় দরে আর তাহার সাথে সে গেউ গেউ করিয়া কাদিতে থাকে অথবা ডাকিতে থাকে ঐ সময় তাহার সাথে যদি বিশেষ কোন মানুষ না থাকে তাহা হইলে ঐ বেক্তি ঐ ঘুমের মধ্যেই কেবল বেহুস হইয়া পরিয়া থাকিয়া মারা জাবার সম্বাবনা আছে এবং ঐ ক্ষেত্রে পাগল হওয়া থেকে অথবা মারা জাবার থেকে তাহাকে রক্ষ্যা করার কেবল একটাই উপায় আছে যখন রাতে ঘুমের মধ্যে বোবায় দরে অথবা গেউ গেউ করিয়া ডাকিতে থাকে অথবা গেউ গেউ করিয়া কাদিতে থাকে তখন তাহাকে অতি দ্রুত তাহার শরীরে দাক্কা দিয়ে তাহাকে স্বজাগ করিয়ে দিতে হইবে তাহা হইলে সে মরন হইতে অথবা পাগল হইতে সে রক্ষ্যা পাবে এবং এবার আপনারা ভাল ভাবে ভুজতে পারিয়াছেন আমি মনে করি এবং ঘুমের মধ্যে বোবায় দরে কেন এখানেই কেবল শেষ করিলাম খোদা হাফেজ মোঃ মুস্তাফা কামাল email dmustafa41@yahoo.com
