আমাদের পৃথিবীর তাপমাত্রা ২৯/০৬/২০২৪ আমাদের পৃথিবীর তাপমাত্রা ২৯/০৬/২০২৪ এবং আমাদের পৃথিবীতে ১৪ বৎসরের রেকর্ড বঙ্গ করে সর্ব উচ্ছ তাপমাত্রা দেখা গিয়েছে এবং আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুতে ২৯/০৬/২০২৪ তারিখে গরমকালের প্রায় অর্ধ সময় ও সর্ব উচ্ছ গরমকাল এবং আমাদের পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে এই সময় টাতে প্রায় সর্ব উচ্ছ শীতকাল অথবা সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা ও কন কনে ঠাণ্ডা এবং আমাদের পৃথিবীতে ২৯/০৬/২০২৪ তারিখে এই বৎসর পৃথিবীর উত্তর মেরুতে পূর্বেকার ১৪ বৎসরের রেকর্ড বঙ্গ করে সর্ব উচ্ছ তাপমাত্রা পুঁছানোর পিছনে কারন গুলো কি ছিল এবং আমাদের পৃথিবীতে ২৯/০৬/২০২৪ তারিখের রেকর্ড বঙ্গ করে পৃথিবীর দক্ষিণ মেরুতে সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা অথবা কন কনে ঠাণ্ডা হবার পিছনে কারন ছিল কি এবার একটু চিন্তা ভাবনা করে খতিয়ে দেখা যাক আমার খুদ্র জ্ঞানে কি বলে বাকী অংস নিম্নে দেখুন ২ আমাদের পৃথিবীটা এক স্থানে থাকিয়া লাটিমের ঘুরিতেছে তাহার পিছনে কিছু একটা শক্তি কাজ করে থাকে যার সাহায্যে আমাদের পৃথিবীটা এক স্থানে থাকিয়া বিরতিহীন ঘুরিতেছে এবং সেটা হচ্ছে ঐ দূর আকাশের চাঁদ চাঁদের সাহায্যে অথবা চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের সাহায্যেই কেবল আমাদের পৃথিবীটা এক স্থানে থাকিয়া বিরতিহীন লাটিমের ঘুরিতেছে এবং আমাদের পৃথিবীতে সাধারণত্ব ২৪ ঘণ্টায় এক দিন হইয়ে থাকে অথবা আমাদের পৃথিবীটা ২৪ ঘণ্টায় এক গুরুন দিয়ে থাকে এবং আমাদের পৃথিবীর আয়তন হচ্ছে সাধারণত্ব ৪০০৩০ ভর্গ মাইল হইয়া থাকে এবং আমাদের পৃথিবীর হচ্ছে ২৯.৫৮ গুন বড় এবং আমাদের পৃথিবীর তুলনায় চাঁদ ২৯.৫৮ গুন বড় হবার কারনে চাঁদের আয়তন হচ্ছে ১১৮৪০৮৭,৪ মাইল হইয়া থাকে এবং আমাদের পৃথিবীতে সাধারণত্ব ২৪ ঘণ্টায় এক দিন হইয়া থাকে এবং তেমনি ভাবেই কেবল চাঁদের পিঠে ৭০৯,৯২ ঘণ্টায় এক দিন অথবা পৃথিবীর ২৯,৫৮ দিনের সমান চাঁদের পিঠে এক দিন হইয়া থাকে এবং আমাদের পৃথিবীটা চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের সাহায্যে এক স্থানে থাকিয়া গুরে বলেই কেবল পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করিতে চাঁদের সময় বেয় হয় প্রায় ৭০৯,৯২ ঘণ্টা অথবা ২৯.৫৮ সময় বেয় হয় এবং আমাদের পৃথিবীকে প্রদক্ষিন করিতে গিয়ে ১৬৬৮ মাইল দ্রুত ঘতিতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হয় এবং তেমনি ভাবেই কিন্তু আমাদের পৃথিবীটা চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের চাপে এক স্থানে থাকিয়া ১৬৬৮ মাইল দ্রুত ঘতিতেই গুরিতেছে চাঁদের সাথেই কেবল তাল মিলিয়ে এবং ইহাতে কেবল এক মিনিট ও নর চত নয় বাকী অংস নিম্নে দেখুন ৩ আমাদের পৃথিবীতে সাধারণত্ব দুইটি কাল অথবা দুইটি ঋতু হইয়া থাকে এবং একটি শীতকাল অপরটি হয় গরমকাল আর আমাদের পৃথিবীর এই দুইটি ঋতু সাধারণত্ব ঐ দূর আকাশের চাঁদ হইতে নয়ন্ত্রন হইয়া থাকে এবং আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুতে যখন শীতকাল থাকে তখন পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে গরমকাল থাকে এবং আমাদের পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে যখন গরমকাল থাকে তখন আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুতে শীতকাল হইয়া থাকে এবং ডিসেম্বর মাসের ২৯ তারিখে আমাদের পৃথিবীটা সর্ব উচ্ছ উত্তর দিকে কাইত হইয়া থাকে এবং যার কারনে ডিসেম্বর মাসের ২৯ তারিখে আমাদের পৃথিবীটার উত্তর মেরু সূর্য হইতে অনেক দূরে থাকে অথবা পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর তুলনায় পৃথিবীর উত্তর মেরু প্রায় সূর্য হইতে অতিরিক্ত ৩৫০০ মাইল দূরে থাকার কারনে পৃথিবীর উত্তর মেরুতে শীতকাল অথবা কন কনে ঠাণ্ডা থাকে এবং ডিসেম্বর মাসের ২৯ তারিখে পৃথিবীর উত্তর মেরুর তুলনায় পৃথিবীর দক্ষিন মেরু প্রায় ৩৫০০ মাইল সূর্যের নিকটে থাকার কারনে পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে গরমকাল অথবা গ্রীষ্ম কাল হইয়া থাকে এবং ডিসেম্বর মাসের ২৯ তারিখে যখন প্রদক্ষিন ক্রিত সার্কেল টি যখন উত্তর দিকে কাইত হইয়া থাকে তখন কেবল চাঁদ ও পৃথিবীর ভু পৃষ্টে একই সাথে কম্পনের সৃষ্টি হইয়া থাকে এবং এই কম্পনটি সাধারণত্ব পৃথিবীর সকল মানুষে অনুভব করিতে সক্ষম নয় তবে হেয় যারা ৫০ তলা ১০০ তলা ভবনে থাকে তাহারাই কেবল কিছুটা অনুভব করিতে সক্ষম হইয়া থাকে ৪ ডিসেম্বর মাসের ২৯ তারিখে যখন চাঁদের প্রদক্ষিন ক্রিত সার্কেল টি উত্তর দিকে সর্ব উচ্ছ কাইত হইয়া থাকে তখন আমাদের পৃথিবীটাও উত্তর দিকে সর্ব উচ্ছ কাইত হইয়া থাকে এবং ডিসেম্বর মাসের ২৯ তারিখে যখন চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের চাপে আমাদের পৃথিবীটা উত্তর দিকে সর্ব উচ্ছ কাইত হইয়া থাকে তখন মাত্র ২৪ ঘণ্টা অথবা এক দিনের জন্য পৃথিবীটা স্থির থাকে এবং ২৪ ঘণ্টা পরে পুনরায় পৃথিবীতে ঋতুর পরিবর্তনের জন্য চাঁদের প্রদক্ষিন ক্রিত সার্কেল টি আমাদের মাথার উপর দিয়ে দক্ষিন দিকে লম্ফ দিয়ে থাকে এবং তার সাথে আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুতে শীতকাল শেষ হইয়া গরমকালের আবিরভাব দেখা দিতে থাকে ও পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে গরমকাল শেষ হইয়া শীতকালের আবির্ভাব দেখা দিতে থাকে এবং তার সাথে আচমকা স্প্রিঙ্গের মতোই হটাত করে চাঁদের সাথে পৃথিবীর দূরত্ব বেরে যায় এবং সেই সময় আমাদের পৃথিবী হইতে চাঁদকে অনেক ছোট দেখা যায় এবং ইহার কিছু দিনের মধ্যেই কেবল চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের চাপে আমাদের পৃথিবীটা চাঁদের অতি নিকটে চলে যায় আর ঐ সময় আমাদের পৃথিবী হইতে চাঁদকে দুই এক দিনের জন্য অনেক বড় দেখা যায় ৫ ডিসেম্বর মাসের ২৯/১২/২০২৩ তারিখে যখন আমাদের পৃথিবীতে ঋতুর পরিবর্তনের জন্য চাঁদের প্রদক্ষিন ক্রিত সার্কেল উত্তর দিকের কাইত হইতে থাকে আমাদের মাথার উপর দিয়ে দক্ষিন দিকে লম্ফ দিয়ে ছিল তখন চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের চাপে আমাদের পৃথিবীটা স্বচার আচার যায়গা হইতে চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের চাপে আনু মানিক প্রায় ৩৫০০ মাইল সূর্যের নিকটে চলে গিয়ে ছিল এবং তাহার সাথে আমাদের পৃথিবীটাও পূর্বের তুলনায় এই বৎসর একটু বেসি দক্ষিন দিকে কাইত হইতে দেখা এবং পৃথিবীর দক্ষিন মেরু একটু বেসি কাইত হবার কারনে পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ গুলোতে পূর্বের তুলনায় এই বৎসর একটু বেসি ঠাণ্ডা পরতে দেখা যায় এবং ইহার সাথেই কেবল আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরু পূর্বের তুলনায় একটু বেসি সূর্যের কাছে চলে যাওয়াতে পূর্বের তুলনায় এই বৎসর একটু বেসি গরম পরিতে দেখা যায় এবং যার কারনে এই দুইটি কারন মিলিয়ে ২৯/০৬/২০২৪ তারিখে আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুর দেশ গুলোতে অথবা পৃথিবীর উত্তর গুলারদে পূর্বেকার ১৪ বৎসরের রেকর্ড বেঙ্গে এই বৎসর তাপমাত্রা ছিল সর্ব উচ্ছ এবং এই বৎসর পূর্বেকার ১৪ বৎসরের রেকর্ড বেঙ্গে পাকিস্তানে ২৯/০৬/২০২৪ তারিখে তাপমাত্রা ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়েছে পৌঁছে যায় এবং আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুতে পুনরায় ১৪ বৎসর পরে অথবা ২০৩৮ সনে দেখিতে অথবা অনুভব করিতে পারিবেন সর্ব উচ্ছ গরমকাল এবং চাঁদ আমাদের পৃথিবীকে ১৬৮ বার প্রদক্ষিন করার পরে অথবা প্রতি ১৪ বৎসর পর পর আমাদের পৃথিবীকে সূর্যের ৩৫০০ মাইল নিকটে নিয়ে গিয়ে সর্ব উচ্ছ তাপমাত্রায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হইয়া থাকে ৬ আমাদের পৃথিবীতে এই বৎসর পৃথিবীর উত্তর মেরুতে ১৪ বৎসরের রেকর্ড বেঙ্গে তাপমাত্রা ছিল ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়েছ সেটা হচ্ছে পাকিস্তানে এবং তাহার সাথে ২৯/০৬/২০২৪ তারিখে আমাদের পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ গুলোতে পূর্বেকার রেরেকর্ড বেঙ্গে তাপমাত্রা ছিল সর্ব নিম্ন অথবা পূর্বেকার ১৪ বৎসরের রেরেকর্ড বেঙ্গে অনেক বেসি ঠাণ্ডা ছিল এবং আমাদের পৃথিবীতে এই বৎসর পূর্বেকার ১৪ বৎসরের রেকর্ড বেঙ্গে পৃথিবীর মেরুতে তাপমাত্রা ছিল ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়েছ এবং পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ গুলয়তে ছিল সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা কন কনে ঠাণ্ডা এবং এই বৎসর আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুতে অনেক গরম পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে অনেক ঠাণ্ডা এই আবহাওয়া পরিবর্তনের সুচনা হয় ২৯/০৬/২০২৪ তারিখের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুতে শীতকাল শেষ করে পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে গরমকাল শেষ করে আমাদের পৃথিবীতে ঋতুর পরিবর্তনের জন্য যখন চাঁদের প্রদক্ষিন ক্রিত সার্কেল উত্তর দিক হইতে দক্ষিন দিকে লম্ফ দিয়ে থাকে তখন হইতে এবং আমি মনে করি আপনাদের কে এখন ভালো ভাবেই বুজাতে সক্ষম হয়েছি এবং আমাদের পৃথিবীর তাপমাত্রা ২৯/০৬/২০২৪ আজকের মতো এখানেই শেষ করিলাম আল্লাহ হাফেজ মোঃ মুস্তাফা কামাল email dmustafa41@yahoo.com

আরও পড়ুনআমাদের পৃথিবীর তাপমাত্রা ২৯/০৬/২০২৪ আমাদের পৃথিবীর তাপমাত্রা ২৯/০৬/২০২৪ এবং আমাদের পৃথিবীতে ১৪ বৎসরের রেকর্ড বঙ্গ করে সর্ব উচ্ছ তাপমাত্রা দেখা গিয়েছে এবং আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুতে ২৯/০৬/২০২৪ তারিখে গরমকালের প্রায় অর্ধ সময় ও সর্ব উচ্ছ গরমকাল এবং আমাদের পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে এই সময় টাতে প্রায় সর্ব উচ্ছ শীতকাল অথবা সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা ও কন কনে ঠাণ্ডা এবং আমাদের পৃথিবীতে ২৯/০৬/২০২৪ তারিখে এই বৎসর পৃথিবীর উত্তর মেরুতে পূর্বেকার ১৪ বৎসরের রেকর্ড বঙ্গ করে সর্ব উচ্ছ তাপমাত্রা পুঁছানোর পিছনে কারন গুলো কি ছিল এবং আমাদের পৃথিবীতে ২৯/০৬/২০২৪ তারিখের রেকর্ড বঙ্গ করে পৃথিবীর দক্ষিণ মেরুতে সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা অথবা কন কনে ঠাণ্ডা হবার পিছনে কারন ছিল কি এবার একটু চিন্তা ভাবনা করে খতিয়ে দেখা যাক আমার খুদ্র জ্ঞানে কি বলে বাকী অংস নিম্নে দেখুন ২ আমাদের পৃথিবীটা এক স্থানে থাকিয়া লাটিমের ঘুরিতেছে তাহার পিছনে কিছু একটা শক্তি কাজ করে থাকে যার সাহায্যে আমাদের পৃথিবীটা এক স্থানে থাকিয়া বিরতিহীন ঘুরিতেছে এবং সেটা হচ্ছে ঐ দূর আকাশের চাঁদ চাঁদের সাহায্যে অথবা চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের সাহায্যেই কেবল আমাদের পৃথিবীটা এক স্থানে থাকিয়া বিরতিহীন লাটিমের ঘুরিতেছে এবং আমাদের পৃথিবীতে সাধারণত্ব ২৪ ঘণ্টায় এক দিন হইয়ে থাকে অথবা আমাদের পৃথিবীটা ২৪ ঘণ্টায় এক গুরুন দিয়ে থাকে এবং আমাদের পৃথিবীর আয়তন হচ্ছে সাধারণত্ব ৪০০৩০ ভর্গ মাইল হইয়া থাকে এবং আমাদের পৃথিবীর হচ্ছে ২৯.৫৮ গুন বড় এবং আমাদের পৃথিবীর তুলনায় চাঁদ ২৯.৫৮ গুন বড় হবার কারনে চাঁদের আয়তন হচ্ছে ১১৮৪০৮৭,৪ মাইল হইয়া থাকে এবং আমাদের পৃথিবীতে সাধারণত্ব ২৪ ঘণ্টায় এক দিন হইয়া থাকে এবং তেমনি ভাবেই কেবল চাঁদের পিঠে ৭০৯,৯২ ঘণ্টায় এক দিন অথবা পৃথিবীর ২৯,৫৮ দিনের সমান চাঁদের পিঠে এক দিন হইয়া থাকে এবং আমাদের পৃথিবীটা চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের সাহায্যে এক স্থানে থাকিয়া গুরে বলেই কেবল পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করিতে চাঁদের সময় বেয় হয় প্রায় ৭০৯,৯২ ঘণ্টা অথবা ২৯.৫৮ সময় বেয় হয় এবং আমাদের পৃথিবীকে প্রদক্ষিন করিতে গিয়ে ১৬৬৮ মাইল দ্রুত ঘতিতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হয় এবং তেমনি ভাবেই কিন্তু আমাদের পৃথিবীটা চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের চাপে এক স্থানে থাকিয়া ১৬৬৮ মাইল দ্রুত ঘতিতেই গুরিতেছে চাঁদের সাথেই কেবল তাল মিলিয়ে এবং ইহাতে কেবল এক মিনিট ও নর চত নয় বাকী অংস নিম্নে দেখুন ৩ আমাদের পৃথিবীতে সাধারণত্ব দুইটি কাল অথবা দুইটি ঋতু হইয়া থাকে এবং একটি শীতকাল অপরটি হয় গরমকাল আর আমাদের পৃথিবীর এই দুইটি ঋতু সাধারণত্ব ঐ দূর আকাশের চাঁদ হইতে নয়ন্ত্রন হইয়া থাকে এবং আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুতে যখন শীতকাল থাকে তখন পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে গরমকাল থাকে এবং আমাদের পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে যখন গরমকাল থাকে তখন আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুতে শীতকাল হইয়া থাকে এবং ডিসেম্বর মাসের ২৯ তারিখে আমাদের পৃথিবীটা সর্ব উচ্ছ উত্তর দিকে কাইত হইয়া থাকে এবং যার কারনে ডিসেম্বর মাসের ২৯ তারিখে আমাদের পৃথিবীটার উত্তর মেরু সূর্য হইতে অনেক দূরে থাকে অথবা পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর তুলনায় পৃথিবীর উত্তর মেরু প্রায় সূর্য হইতে অতিরিক্ত ৩৫০০ মাইল দূরে থাকার কারনে পৃথিবীর উত্তর মেরুতে শীতকাল অথবা কন কনে ঠাণ্ডা থাকে এবং ডিসেম্বর মাসের ২৯ তারিখে পৃথিবীর উত্তর মেরুর তুলনায় পৃথিবীর দক্ষিন মেরু প্রায় ৩৫০০ মাইল সূর্যের নিকটে থাকার কারনে পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে গরমকাল অথবা গ্রীষ্ম কাল হইয়া থাকে এবং ডিসেম্বর মাসের ২৯ তারিখে যখন প্রদক্ষিন ক্রিত সার্কেল টি যখন উত্তর দিকে কাইত হইয়া থাকে তখন কেবল চাঁদ ও পৃথিবীর ভু পৃষ্টে একই সাথে কম্পনের সৃষ্টি হইয়া থাকে এবং এই কম্পনটি সাধারণত্ব পৃথিবীর সকল মানুষে অনুভব করিতে সক্ষম নয় তবে হেয় যারা ৫০ তলা ১০০ তলা ভবনে থাকে তাহারাই কেবল কিছুটা অনুভব করিতে সক্ষম হইয়া থাকে ৪ ডিসেম্বর মাসের ২৯ তারিখে যখন চাঁদের প্রদক্ষিন ক্রিত সার্কেল টি উত্তর দিকে সর্ব উচ্ছ কাইত হইয়া থাকে তখন আমাদের পৃথিবীটাও উত্তর দিকে সর্ব উচ্ছ কাইত হইয়া থাকে এবং ডিসেম্বর মাসের ২৯ তারিখে যখন চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের চাপে আমাদের পৃথিবীটা উত্তর দিকে সর্ব উচ্ছ কাইত হইয়া থাকে তখন মাত্র ২৪ ঘণ্টা অথবা এক দিনের জন্য পৃথিবীটা স্থির থাকে এবং ২৪ ঘণ্টা পরে পুনরায় পৃথিবীতে ঋতুর পরিবর্তনের জন্য চাঁদের প্রদক্ষিন ক্রিত সার্কেল টি আমাদের মাথার উপর দিয়ে দক্ষিন দিকে লম্ফ দিয়ে থাকে এবং তার সাথে আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুতে শীতকাল শেষ হইয়া গরমকালের আবিরভাব দেখা দিতে থাকে ও পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে গরমকাল শেষ হইয়া শীতকালের আবির্ভাব দেখা দিতে থাকে এবং তার সাথে আচমকা স্প্রিঙ্গের মতোই হটাত করে চাঁদের সাথে পৃথিবীর দূরত্ব বেরে যায় এবং সেই সময় আমাদের পৃথিবী হইতে চাঁদকে অনেক ছোট দেখা যায় এবং ইহার কিছু দিনের মধ্যেই কেবল চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের চাপে আমাদের পৃথিবীটা চাঁদের অতি নিকটে চলে যায় আর ঐ সময় আমাদের পৃথিবী হইতে চাঁদকে দুই এক দিনের জন্য অনেক বড় দেখা যায় ৫ ডিসেম্বর মাসের ২৯/১২/২০২৩ তারিখে যখন আমাদের পৃথিবীতে ঋতুর পরিবর্তনের জন্য চাঁদের প্রদক্ষিন ক্রিত সার্কেল উত্তর দিকের কাইত হইতে থাকে আমাদের মাথার উপর দিয়ে দক্ষিন দিকে লম্ফ দিয়ে ছিল তখন চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের চাপে আমাদের পৃথিবীটা স্বচার আচার যায়গা হইতে চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের চাপে আনু মানিক প্রায় ৩৫০০ মাইল সূর্যের নিকটে চলে গিয়ে ছিল এবং তাহার সাথে আমাদের পৃথিবীটাও পূর্বের তুলনায় এই বৎসর একটু বেসি দক্ষিন দিকে কাইত হইতে দেখা এবং পৃথিবীর দক্ষিন মেরু একটু বেসি কাইত হবার কারনে পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ গুলোতে পূর্বের তুলনায় এই বৎসর একটু বেসি ঠাণ্ডা পরতে দেখা যায় এবং ইহার সাথেই কেবল আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরু পূর্বের তুলনায় একটু বেসি সূর্যের কাছে চলে যাওয়াতে পূর্বের তুলনায় এই বৎসর একটু বেসি গরম পরিতে দেখা যায় এবং যার কারনে এই দুইটি কারন মিলিয়ে ২৯/০৬/২০২৪ তারিখে আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুর দেশ গুলোতে অথবা পৃথিবীর উত্তর গুলারদে পূর্বেকার ১৪ বৎসরের রেকর্ড বেঙ্গে এই বৎসর তাপমাত্রা ছিল সর্ব উচ্ছ এবং এই বৎসর পূর্বেকার ১৪ বৎসরের রেকর্ড বেঙ্গে পাকিস্তানে ২৯/০৬/২০২৪ তারিখে তাপমাত্রা ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়েছে পৌঁছে যায় এবং আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুতে পুনরায় ১৪ বৎসর পরে অথবা ২০৩৮ সনে দেখিতে অথবা অনুভব করিতে পারিবেন সর্ব উচ্ছ গরমকাল এবং চাঁদ আমাদের পৃথিবীকে ১৬৮ বার প্রদক্ষিন করার পরে অথবা প্রতি ১৪ বৎসর পর পর আমাদের পৃথিবীকে সূর্যের ৩৫০০ মাইল নিকটে নিয়ে গিয়ে সর্ব উচ্ছ তাপমাত্রায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হইয়া থাকে ৬ আমাদের পৃথিবীতে এই বৎসর পৃথিবীর উত্তর মেরুতে ১৪ বৎসরের রেকর্ড বেঙ্গে তাপমাত্রা ছিল ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়েছ সেটা হচ্ছে পাকিস্তানে এবং তাহার সাথে ২৯/০৬/২০২৪ তারিখে আমাদের পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ গুলোতে পূর্বেকার রেরেকর্ড বেঙ্গে তাপমাত্রা ছিল সর্ব নিম্ন অথবা পূর্বেকার ১৪ বৎসরের রেরেকর্ড বেঙ্গে অনেক বেসি ঠাণ্ডা ছিল এবং আমাদের পৃথিবীতে এই বৎসর পূর্বেকার ১৪ বৎসরের রেকর্ড বেঙ্গে পৃথিবীর মেরুতে তাপমাত্রা ছিল ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়েছ এবং পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ গুলয়তে ছিল সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা কন কনে ঠাণ্ডা এবং এই বৎসর আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুতে অনেক গরম পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে অনেক ঠাণ্ডা এই আবহাওয়া পরিবর্তনের সুচনা হয় ২৯/০৬/২০২৪ তারিখের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুতে শীতকাল শেষ করে পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে গরমকাল শেষ করে আমাদের পৃথিবীতে ঋতুর পরিবর্তনের জন্য যখন চাঁদের প্রদক্ষিন ক্রিত সার্কেল উত্তর দিক হইতে দক্ষিন দিকে লম্ফ দিয়ে থাকে তখন হইতে এবং আমি মনে করি আপনাদের কে এখন ভালো ভাবেই বুজাতে সক্ষম হয়েছি এবং আমাদের পৃথিবীর তাপমাত্রা ২৯/০৬/২০২৪ আজকের মতো এখানেই শেষ করিলাম আল্লাহ হাফেজ মোঃ মুস্তাফা কামাল email dmustafa41@yahoo.com

আমাদের পৃথিবীতে ৩১/১২/২০১৭ সনের আবহাওয়া আমাদের পৃথিবীতে ৩১/১২/২০১৭ সনের আবহাওয়া এবং আমাদের পৃথিবীতে ৩১/১২/২০১৭ সনের আবহাওয়া কোথায় কেমন ছিলও এবং ৩১/১২/২০১৭ সনে আমাদের পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ অস্ট্রেলিয়াতে পূর্বের ১৪ বৎসরের রেকর্ড বেঙ্গে সর্ব উচ্ছ তাপমাত্রা ছিলও ৫২ ডিগ্রি সেলছিয়েস এবং ৩১/১২/২০১৭ সনের এই দিনে ১৪ বৎসরের রেকর্ড বেঙ্গে সর্ব পৃথিবীর উত্তর মেরুর দেশ গুলোতে সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা ছিলও এবং যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা এই দুই দেশের মধ্যে বর্ডারে একটি জল প্রপাত অথবা জরনা আছে এবং ঐ জরনায় প্রায় বৎসরের বববারো মাষই কেবল পানি জরতে দেখা যায় কিন্তু ৩১/১২/২০১৭ সনের এই দিনে ঐ জল প্রপাতটি বরফ জমিয়া অস্থায়ী ভাবে বন্দ হইয়া যায় কিছু দিনের জন্য এবং ৩১/১২/২০১৭ সনের এই দিনে পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ গুলোতে পূর্বের ১৪ বৎসর রেকর্ড বেঙ্গে সর্ব উচ্ছ তাপমাত্রা ও পৃথিবীর উত্তর মেরুর দেশ গুলোতে পূর্বের ১৪ বৎসরের রেকর্ড বেঙ্গে সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা হওয়ার পিছনে আসল কারন ছিলও কি এবার একটু চিন্তা ভাবনা করে দেখা যাক ২ আমাদের পৃথিবীটা এক স্থানে থাকিয়া বিরতিহীন গুরিতেছে লাটিমের মতোই এবং আমাদের পৃথিবীটা ২৪ ঘণ্টায় সাধারণত্ব এক ঘুরুন দিয়ে থাকে এবং আমাদের পৃথিবীর আয়তন হচ্ছে সাধারণত্ব ৪০০৩০ মাইল এবং আমাদের পৃথিবীটা ঘুরে সাধারণত্ব ১৬৬৮ মাইল দ্রুত গতিতে এবং আমাদের পৃথিবীটা সাধারণত্ব ঘুরে চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের চাপে এবং আমাদের পৃথিবীর তুলনায় চাঁদ হচ্ছে ২৯.৫৮ গুন বড় এবং আমাদের পৃথিবীর তুলনায় চাঁদ ২৯.৫৮ বড় হবার কারনে চাঁদের আয়তন হচ্ছে ১১৮৪০৮৭.৪ ভর্গ মাইল এবং আমাদের পৃথিবীতে সাধারণত্ব ২৪ ঘণ্টায় এক দিন হইয়া থাকে এবং আমাদের পৃথিবীর তুলনায় চাঁদ ২৯.৫৮ গুন বড় হবার কারনে চাঁদের পিঠে ৭১০ ঘণ্টায় এক দিন অথবা ২৯.৫৮ দিনে চাঁদের পিঠে এক দিন হইয়া থাকে এবং আমাদের পৃথিবীটা সাধারণত্ব চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের চাপে এক স্থানে থাকিয়া লাটিমের মতোই বিরতিহীন গুরিতেছে এবং আমাদের পৃথিবীটা চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের সাহায্যেই গুরে বলেই কিন্তু পৃথিবীকে চাঁদের একবার প্রদক্ষিন করার সমান পৃথিবীর ২৯.৫৮ দিন হইয়া থাকে এবং আমাদের পৃথিবীকে চাঁদের একবার প্রদক্ষিন করার সমান চাঁদের ২৯.৫৮ দিন হবার কারনে কিন্তু আমরা প্রতি ২৯.৫৮ দিনের মাথায় পূর্ব আকাশে সন্ধ্যা কালে পূর্ণিমা চাঁদ দেখিতে পাই এবং বাকি অংস নিম্নে দেখুন ৩ আমাদের পৃথিবীতে সাধারণত্ব জুন মাসের ৩১ তারিখে পৃথিবীর সর্বত্রই সময় সমান থাকে যেমন দিন ১২ ঘণ্টা রাত্র ১২ ঘণ্টা হইয়া থাকে এবং আমাদের পৃথিবী ও চাঁদের প্রদক্ষিণ ক্রিত সার্কেল ও সূর্য এই তিনে মিলে পরস্পর সরল রেখা হইয়া থাকে এবং জাহার কারনে জুন মাসের ৩১ তারিখেই কেবল পৃথিবীর সর্বত্রই সময় সমান থাকে এবং জুন মাসের শেষের ও জুলাই মাসের প্রথম হইতে আমাদের মাথার উপর দিয়ে চাঁদের প্রদক্ষিন ক্রিত সার্কেল ততটি আস্তে আস্তে উত্তর দিকে কাইত হইতে থাকে এবং চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের চাপেই কেবল আমাদের পৃথিবীটাও ঐ চাঁদের প্রদক্ষিণ ক্রিত সার্কেলের সাথেই কিন্তু তাল মিলিয়ে চাঁদ ও আমাদের পৃথিবীটার উত্তর মেরু ও আস্তে আস্তে কাইত হইয়া নিচের দিকে অথবা ছায়া পথে চলে যেতে থাকে এবং তাহার সাথেই কিন্তু আমাদের পৃথিবীর দক্ষিন মেরু ও আস্তে আস্তে চাঁদ ও চাঁদের প্রদক্ষিন ক্রিত সার্কেলের তাল মিলিয়ে সূর্যের দিকে উপরে উঠতে থাকে এবং এই ভাবেই কিন্তু ডিসেম্বর মাসের ৩১ তারিখে পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ গুলোতেই পূর্ণ গরমকাল অথবা ডিসেম্বর ৩১ তারিখে গরমকালের অর্ধ অংস চলে যায় এবং তাহার সাথেই কিন্তু এবং ইহার সাথেই কিন্তু পৃথিবীর উত্তর মেরুর দেশ গুলোতেই ডিসেম্বর মাসের ৩১ পূর্ণ শীতকাল থাকে অথবা শীতকালের অর্ধ অংস চলে যায় ৪ ডিসেম্বর ৩১/১২/২০১৭ তারিখের পূর্বের রেকর্ড বেঙ্গে সর্ব উচ্ছ তাপমাত্রা ছিল পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ গুলোতে যেমন অস্ট্রেলিয়াতে সরররবব্ব উচ্ছ তাপমাত্রা ছিলও ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়েছ ৩১/১২/২০১৭ সনের এই তারিখে আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুতে সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা ছিলও এবং ইহার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বররর্ডারে একটি জল প্রপাত অথবা জরনা এবং অইঐ জরনায় প্রায় বৎসরের ১২ মাসই কেবল জরনার পানি জরতে থাকে কিন্তু ৩১/১২/২০১৭ ঐ তারিখে মাত্রার অতিরিক্ত ঠাণ্ডার প্রভাবে ঐ জল প্রপাতটি বরফ জমে গিয়ে অস্থায়ী ভাবে বন্দ হইয়া যায় এবং ৩১/১২/২০১৭ পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে মাত্রার অতিরিক্ত গরম আর পৃথিবীর উত্তর মেরুতে মাত্রার অতিরিক্ত ঠাণ্ডার পিছনে মাত্র একটি কারন আমাদের পৃথিবীটার উত্তর মেরু মাত্রার অতিরিক্ত কাইত হইয়া ছায়া পথের দিকে চলে যায় যার কারনে পৃথিবীর উত্তর মেরুতে সূর্যের আলো ও তাপ যথেষ্ট পরিমানে না পৌছাতে পারার কারনে পৃথিবীর উত্তর মেরুতে ১৪ বৎসরের রেরেকর্ড বেঙ্গে তাপমাত্রা সর্ব নিম্নে পৌঁছে যায় ৩১/১২/২০১৭ তারিখে পৃথিবীটা মাত্রার অতিরিক্ত উত্তর দিকে কাইত হবার কারনে ১৪ বৎসরের রেকর্ড বেঙ্গে অনেক উপরে অথবা সূর্যের নিকটে চলে যায় এবং যার কারনে পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ গুলোতে মাত্রার অতিরিক্ত গরম ছিলও ইহার মধ্যে অস্ট্রেলিয়াতে পূর্বের রেকর্ড বেঙ্গে সর্ব উচ্ছ তাপমাত্রা ছিলও ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়েছ এবং আগামি ৩১/১২/২০৩১ সনের এই সময় দেখিতে পাবেন পৃথিবীর উত্তর মেরুতে সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা ও পৃথিবী দক্ষিন মেরুতে সর্ব উচ্ছ তাপমাত্রা সেই পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকুন এবং এখানেই কেবল শেষ করিলাম আমাদের পৃথিবীর ৩১/১২/২০১৭ সনের আবহাওয়া আল্লাহ হাফেজ মোঃ মুস্তাফা কামাল email dmustafa41@yahoo.com

আরও পড়ুনআমাদের পৃথিবীতে ৩১/১২/২০১৭ সনের আবহাওয়া আমাদের পৃথিবীতে ৩১/১২/২০১৭ সনের আবহাওয়া এবং আমাদের পৃথিবীতে ৩১/১২/২০১৭ সনের আবহাওয়া কোথায় কেমন ছিলও এবং ৩১/১২/২০১৭ সনে আমাদের পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ অস্ট্রেলিয়াতে পূর্বের ১৪ বৎসরের রেকর্ড বেঙ্গে সর্ব উচ্ছ তাপমাত্রা ছিলও ৫২ ডিগ্রি সেলছিয়েস এবং ৩১/১২/২০১৭ সনের এই দিনে ১৪ বৎসরের রেকর্ড বেঙ্গে সর্ব পৃথিবীর উত্তর মেরুর দেশ গুলোতে সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা ছিলও এবং যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা এই দুই দেশের মধ্যে বর্ডারে একটি জল প্রপাত অথবা জরনা আছে এবং ঐ জরনায় প্রায় বৎসরের বববারো মাষই কেবল পানি জরতে দেখা যায় কিন্তু ৩১/১২/২০১৭ সনের এই দিনে ঐ জল প্রপাতটি বরফ জমিয়া অস্থায়ী ভাবে বন্দ হইয়া যায় কিছু দিনের জন্য এবং ৩১/১২/২০১৭ সনের এই দিনে পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ গুলোতে পূর্বের ১৪ বৎসর রেকর্ড বেঙ্গে সর্ব উচ্ছ তাপমাত্রা ও পৃথিবীর উত্তর মেরুর দেশ গুলোতে পূর্বের ১৪ বৎসরের রেকর্ড বেঙ্গে সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা হওয়ার পিছনে আসল কারন ছিলও কি এবার একটু চিন্তা ভাবনা করে দেখা যাক ২ আমাদের পৃথিবীটা এক স্থানে থাকিয়া বিরতিহীন গুরিতেছে লাটিমের মতোই এবং আমাদের পৃথিবীটা ২৪ ঘণ্টায় সাধারণত্ব এক ঘুরুন দিয়ে থাকে এবং আমাদের পৃথিবীর আয়তন হচ্ছে সাধারণত্ব ৪০০৩০ মাইল এবং আমাদের পৃথিবীটা ঘুরে সাধারণত্ব ১৬৬৮ মাইল দ্রুত গতিতে এবং আমাদের পৃথিবীটা সাধারণত্ব ঘুরে চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের চাপে এবং আমাদের পৃথিবীর তুলনায় চাঁদ হচ্ছে ২৯.৫৮ গুন বড় এবং আমাদের পৃথিবীর তুলনায় চাঁদ ২৯.৫৮ বড় হবার কারনে চাঁদের আয়তন হচ্ছে ১১৮৪০৮৭.৪ ভর্গ মাইল এবং আমাদের পৃথিবীতে সাধারণত্ব ২৪ ঘণ্টায় এক দিন হইয়া থাকে এবং আমাদের পৃথিবীর তুলনায় চাঁদ ২৯.৫৮ গুন বড় হবার কারনে চাঁদের পিঠে ৭১০ ঘণ্টায় এক দিন অথবা ২৯.৫৮ দিনে চাঁদের পিঠে এক দিন হইয়া থাকে এবং আমাদের পৃথিবীটা সাধারণত্ব চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের চাপে এক স্থানে থাকিয়া লাটিমের মতোই বিরতিহীন গুরিতেছে এবং আমাদের পৃথিবীটা চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের সাহায্যেই গুরে বলেই কিন্তু পৃথিবীকে চাঁদের একবার প্রদক্ষিন করার সমান পৃথিবীর ২৯.৫৮ দিন হইয়া থাকে এবং আমাদের পৃথিবীকে চাঁদের একবার প্রদক্ষিন করার সমান চাঁদের ২৯.৫৮ দিন হবার কারনে কিন্তু আমরা প্রতি ২৯.৫৮ দিনের মাথায় পূর্ব আকাশে সন্ধ্যা কালে পূর্ণিমা চাঁদ দেখিতে পাই এবং বাকি অংস নিম্নে দেখুন ৩ আমাদের পৃথিবীতে সাধারণত্ব জুন মাসের ৩১ তারিখে পৃথিবীর সর্বত্রই সময় সমান থাকে যেমন দিন ১২ ঘণ্টা রাত্র ১২ ঘণ্টা হইয়া থাকে এবং আমাদের পৃথিবী ও চাঁদের প্রদক্ষিণ ক্রিত সার্কেল ও সূর্য এই তিনে মিলে পরস্পর সরল রেখা হইয়া থাকে এবং জাহার কারনে জুন মাসের ৩১ তারিখেই কেবল পৃথিবীর সর্বত্রই সময় সমান থাকে এবং জুন মাসের শেষের ও জুলাই মাসের প্রথম হইতে আমাদের মাথার উপর দিয়ে চাঁদের প্রদক্ষিন ক্রিত সার্কেল ততটি আস্তে আস্তে উত্তর দিকে কাইত হইতে থাকে এবং চাঁদের চুম্বক আকর্ষণের চাপেই কেবল আমাদের পৃথিবীটাও ঐ চাঁদের প্রদক্ষিণ ক্রিত সার্কেলের সাথেই কিন্তু তাল মিলিয়ে চাঁদ ও আমাদের পৃথিবীটার উত্তর মেরু ও আস্তে আস্তে কাইত হইয়া নিচের দিকে অথবা ছায়া পথে চলে যেতে থাকে এবং তাহার সাথেই কিন্তু আমাদের পৃথিবীর দক্ষিন মেরু ও আস্তে আস্তে চাঁদ ও চাঁদের প্রদক্ষিন ক্রিত সার্কেলের তাল মিলিয়ে সূর্যের দিকে উপরে উঠতে থাকে এবং এই ভাবেই কিন্তু ডিসেম্বর মাসের ৩১ তারিখে পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ গুলোতেই পূর্ণ গরমকাল অথবা ডিসেম্বর ৩১ তারিখে গরমকালের অর্ধ অংস চলে যায় এবং তাহার সাথেই কিন্তু এবং ইহার সাথেই কিন্তু পৃথিবীর উত্তর মেরুর দেশ গুলোতেই ডিসেম্বর মাসের ৩১ পূর্ণ শীতকাল থাকে অথবা শীতকালের অর্ধ অংস চলে যায় ৪ ডিসেম্বর ৩১/১২/২০১৭ তারিখের পূর্বের রেকর্ড বেঙ্গে সর্ব উচ্ছ তাপমাত্রা ছিল পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ গুলোতে যেমন অস্ট্রেলিয়াতে সরররবব্ব উচ্ছ তাপমাত্রা ছিলও ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়েছ ৩১/১২/২০১৭ সনের এই তারিখে আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরুতে সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা ছিলও এবং ইহার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বররর্ডারে একটি জল প্রপাত অথবা জরনা এবং অইঐ জরনায় প্রায় বৎসরের ১২ মাসই কেবল জরনার পানি জরতে থাকে কিন্তু ৩১/১২/২০১৭ ঐ তারিখে মাত্রার অতিরিক্ত ঠাণ্ডার প্রভাবে ঐ জল প্রপাতটি বরফ জমে গিয়ে অস্থায়ী ভাবে বন্দ হইয়া যায় এবং ৩১/১২/২০১৭ পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে মাত্রার অতিরিক্ত গরম আর পৃথিবীর উত্তর মেরুতে মাত্রার অতিরিক্ত ঠাণ্ডার পিছনে মাত্র একটি কারন আমাদের পৃথিবীটার উত্তর মেরু মাত্রার অতিরিক্ত কাইত হইয়া ছায়া পথের দিকে চলে যায় যার কারনে পৃথিবীর উত্তর মেরুতে সূর্যের আলো ও তাপ যথেষ্ট পরিমানে না পৌছাতে পারার কারনে পৃথিবীর উত্তর মেরুতে ১৪ বৎসরের রেরেকর্ড বেঙ্গে তাপমাত্রা সর্ব নিম্নে পৌঁছে যায় ৩১/১২/২০১৭ তারিখে পৃথিবীটা মাত্রার অতিরিক্ত উত্তর দিকে কাইত হবার কারনে ১৪ বৎসরের রেকর্ড বেঙ্গে অনেক উপরে অথবা সূর্যের নিকটে চলে যায় এবং যার কারনে পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ গুলোতে মাত্রার অতিরিক্ত গরম ছিলও ইহার মধ্যে অস্ট্রেলিয়াতে পূর্বের রেকর্ড বেঙ্গে সর্ব উচ্ছ তাপমাত্রা ছিলও ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়েছ এবং আগামি ৩১/১২/২০৩১ সনের এই সময় দেখিতে পাবেন পৃথিবীর উত্তর মেরুতে সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা ও পৃথিবী দক্ষিন মেরুতে সর্ব উচ্ছ তাপমাত্রা সেই পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকুন এবং এখানেই কেবল শেষ করিলাম আমাদের পৃথিবীর ৩১/১২/২০১৭ সনের আবহাওয়া আল্লাহ হাফেজ মোঃ মুস্তাফা কামাল email dmustafa41@yahoo.com

গবেষকের জিবনি

আসসালামুয়ালাইকুম আমার নাম মোঃ মুস্তাফা কামাল গ্রাম শিমুলিয়া পোষ্ট অফিস গুয়াগাছিয়া থানা গজারিয়া জেলা মুনশিগঞ্জ বাংলাদেশ এবং আমি জীবনে কোন দিন স্কুলে অথবা কারো কাছে লেখা পড়া শিখী নাই অথবা আমার মধ্যে বিশেষ কোন প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষা নাই কিন্তু আমি বাংলা ইংলিশ সহজেই পড়তে লিখতে বলতে সক্ষম এবং আমি ১৯৮৮ সনে আমার জেঠাতো বোনের স্বামীর সাথে হেল্পার অথবা সহজুগি হিশেবে ৬ মাস কাজ করে থাকি পরে ডঃ রাসিদ খানের লেখা মডার্ন মেডিসিন প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় এই তিনটি বই সংগ্রহ করে পড়ে আমি নিজেই গ্রাম্য ডাক্তার প্রদান পেশা হিশেবে বেছে নেই এবং এই পেশায় প্রথমিক চিকিৎসক হিশেবে আমি অনেক শুনাম অর্জন করে থাকি এবং ১৯৯৬ সনে আমি প্রবাসে দক্ষিণ আফ্রিকাতে চলে আশী এবং দক্ষিন আফ্রিকাতে আশার ৫ বৎসর পরে ২০০২ সনে আমি আমার কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ২ টি বড় দোকানের মালিক হতে সক্ষম হই এবং আমি ২ টি বড় দোকানের সঞ্চয়ে আমি বিশেষ করে ভালো পয়সা আয় করিতে সক্ষম হই এবং আমি আমার জীবন কে কিন্তু এখানেই সীমা বধ্য রাখীতে চাইনা আমি চাই আরও অনেক দূরে এগিয়ে যাইতে ২ আমি ভবিষ্যতে আরও…

আরও পড়ুনগবেষকের জিবনি

ভেরা হইতে দুম্বার জন্ম

১ ভেরা হইতে দুম্বার জন্ম এবং আমরা সাধারণত্ব পূর্ব কাল হইতে শুনে আসছি আমাদের প্রবীণ মনিষীদের কাছ থেকে ভেরা আর দুম্বা বিন্ন প্রজাতি অথবা ভেরা আর দুম্বা একই বংশধর নয় এবং ভেরা আর দুম্বা দুইজনে দুই বংশে জন্ম হইয়াছে এবং আসলে আমাদের পূর্ব কালের মনিষীদের চিন্তা ও দারনা কতো টুকু সত্যি অথবা মিথ্যা এবার একটু ভালো ভাবে চিন্তা ভাবনা করিয়া দেখা যাক আমার খুদ্র জ্ঞানে কি বলে ২ দ্বিতীয়  ভেরা দুম্বা গুসা অথবা আরও অনেক প্রাণী এই শ্রেণীর প্রাণীর মধ্যে আছে এবং এরা কেবল সকলেই ভেরা পড়বারে জন্ম হইয়াছে আমার খুদ্র জ্ঞানে বলে এবং যেমন পাতি ছাগল আর রাম ছাগল তাহারা উবয়েই ছাগল পরিবারের সদস্য এবং দেখিতে কেহ অনেক দুন্দর আবার কেহ বা দেখিতে তেমন ভাল নয়  আবার কেহ অনেক বড় আবার কেহবা অনেক ছোট এবং আসলে তাহারা সকলেই ছাগল পরিবারে জন্ম হইয়াছে এবং তেমনি ভাবেই ভেরা পরিবারে অনেক আকৃতির ভেরা আছে যেমন কোন প্রজাতের বড় কান আবার কোন প্রজাতের ছোট কান আবার কোন প্রজাতের সিং আছে আবার কোন প্রজাতের সিং নেই আবার কোন প্রজাতের লেজ আছে আবার কোন প্রজাতের…

আরও পড়ুনভেরা হইতে দুম্বার জন্ম

ভালুক সিংহ বেঙ্গল ভাঘ ওরা তিন জন বন্দু

১ ভালুক সিংহ বেঙ্গল ভাঘ ওরা তিন জন বন্দু  এবং ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের একটি প্রোগ্রামে দেখিতে পাই কোন বনে ভালুক ডোরা কাটা ভাগ ও সিংহ ওরা তিন জন বন্দুত্ত আছে তিন বৎসর যাবত এবং এদের তিন জনের বিতরে এরা কাউকে ছাড়া কেউ বিশেষ কিছুই ভুজেনা কাউকে ছাড়া কেউ জেন মনে হয় বাচতেও পারেনা এমন কিছু মনে এবং এদের তিন বন্দুর দারায় ভবিষ্যতে বিশেষ ভালো কিছু আসা করা যায় কিনা এবার একটু ভালো ভাবে চিন্তা ভাবনা করিয়া দেখা যাক আমার খুদ্র জ্ঞানে কি বলে ২ দ্বিতীয় ভালুক সিংহ ডোরা কাটা ভাঘ  এদের তিন জনের বিতরে যেমন ভাব বন্দুত্ত দেখা যায় ইহাতে ভুজা যায় যে একে অপরের জন্য জিবন দিতেও প্রস্তুত আছে এবং এই রকম ভাব বঙ্গির কারনে যাজা যায় যে এদের তিন জনের বিতরে যদি নর মাধি অথবা পুরুষ মহিলা থাকিয়া থাকে তাহা হইলে হয় তোবা বয় ফ্রেন্ড গার্ল ফ্রেন্ড এর ভাব অথবা স্বামী স্ত্রির ভাব আস্তে আস্তে হইতে পারে এবং এদের তিন জনের বিতরে যদি বিশেষ করিয়া স্বামী স্ত্রির ভাব আসে তাহা হইলে হয় তোবা তাহারা নতুন একটি প্রাণীর জন্ম দিতে…

আরও পড়ুনভালুক সিংহ বেঙ্গল ভাঘ ওরা তিন জন বন্দু

তিমির পেট হইতে মানুষ জীবিত উদ্দার

১ তিমির পেট হইতে মানুষ জীবিত উদ্দার এবং ইউটিউবে সার্চ করিয়া দেখিতে পাই কোন মহাসাগরে জেলেরা মাছ শিকার করিতে গিয়ে হটাত করিয়া জ্বেলেদের ট্রলার হইতে একজন জ্বেলে পানিতে পরিয়া জাবার পরে ঐ পানিতে পরিয়া যাওয়া জেলেকে হটাত করিয়া একটি  তিমি আসিয়া তাহাকে গিলে ফেলে এবং তিমি গিলে ফেলার এক দিন পরে ঐ মানুষ পূর্ণ সুস্থ ও অক্ষত অবস্থায় তিমির পেট হইতে উদ্দার হইয়া আসে এবং আমরা সাধারণত্ব জানি জাহা মানুষে অথবা যেই কোন পশু পাখি বিশেষ কিছু গিলিয়া অথবা চিবাইয়া খাইয়া ফেলিলে ঐ সকল কিছু পাকিস্থলিতে গিয়ে ৬ ঘণ্টার মদ্দেই হজম হইয়া যায় এবং ৬ ঘণ্টা পরে ঐ সকলের কিছুইর অস্তিত্ব থাকেনা আর এই কথা যদি সত্যি হইয়া থাকে তাহা হইলে ঐ তিমি ঘিলে খাওয়া মানুষটি এক দিন পরে কি ভাবে তিমির পেট হইতে অক্ষত সুস্থও অবস্থায় বেচে আসে এবং ঐ মানুষটি তিমির পেটে বেচে থাকার পিছনে কি ছিল অথবা কি কারনে ২৪ ঘণ্টা তিমির পেটে বেচে ছিল এবার দেখা যাক একটু ভালো ভাবে চিন্তা ভাবনা ও গবেষণা করিয়া এবং আমার খুদ্র জ্ঞানের গবেষণায় কি ফলা ফল আসে ২ দ্বিতীয় …

আরও পড়ুনতিমির পেট হইতে মানুষ জীবিত উদ্দার

তিমিদের মিলন মেলা

১ তিমিদের মিলন মেলা এবং সাউথ আফ্রিকার ক্যাপটাউন শহরের পাশেই কেবল সাগর সৈকতে প্রতি বৎসর জুন জুলাই এই দুই মাস পুরোই কেবল দেখিতে পাওয়া যায় তিমিদের মিলন মেলা হইতে এবং এই তিমিদের মিলন মেলা সাউথ আফ্রিকার ক্যাপ টাউনের পাশে সাগর সৈকতে প্রতি বৎসর জুন মাষের প্রথম শুরু হয় এই তিমিদের মিলন মেলা জুলাই মাষের শেষ পর্যন্ত থাকে  এবং বেতিতো রাশিয়া জাপান চিন কুঁড়িয়া ও উত্তর মহাসাগর এই কয়টি দেশের সাগর ছারা গোটা বিশ্বের সাগর মহাসাগর হইতে তিমিরা যাকে যাকে দল বধ্য হইয়া আসিতে থাকে আর আগত সকলেই কেবল সাউথ আফ্রিকার ক্যাপ টাঊন সাগর সৈকতে আসিয়া উপস্থিত হয় এবং এক দেশের তিমির সাথে আর এক দেশের তিমি আপন মনে অথবা মহানন্দে খেলা করিতে দেখা যায় এবং তিমিদের এই মিলন মেলা টি সাধারণত্ব আদি কাল হইতে শুরু হইয়াছে কিন্তু এই তিমিদের মিলন মেলার পিছনে বিশেষ করিয়া কোন মানুষের হাত নেই যাহা দারা আপনি ভুজাইবেন যে তিমিদের কে কোন মানুষে দাওয়াত করিয়া অথবা ঢাকিয়া আনিয়াছে এমন কিছুই নয় এবং তিমিদের এই মিলন মেলা সাধারণত্ব তিমিরা কেবল নিজেরাই জার জার শ্রেণি মোতাবেক উপস্থিত থাকিয়া…

আরও পড়ুনতিমিদের মিলন মেলা

তাবিজ তুমারে প্রেম প্রীতির সফলতা

১ তাবিজ তুমারে প্রেম প্রীতির সফলতা এবং আমাদের দেশে কেবল এক শ্রেণীর মুরুক্ষ যুবক যুবতী আছে তাহারা যৌবনের জ্বালা যন্ত্রণা সহ্য করিতে না পারিয়া কেবল বিশেষ কোন ছেলে অথবা মেয়ের দিকে যদি দৃষ্টি পরিয়া যায় তখনোই কেবল প্রেম প্রীতির চিন্তা ভাবনা করিতে থাকে এবং সে এটাও যানে যে তাহার কাছে ঐ মেয়েটিকে অথবা ঐ ছেলেটিকে বিয়ে দিবেনা কিন্তু সে তখনোই কোন না কোন বন্ড কবিরাজের শরণ্যা পণ্য হইয়া থাকে আর তাহার সাথে ঐ কবিরাজ কে কন্টাক্ট করিয়া থাকে সে যদি ঐ মেয়ে অথবা ঐ ছেলে কে বিয়ে করিতে পারিলে কবিরাজের তাবিজ তুমারের বলে তাহা হইলে সে অনেক টাকা পুরুস্কার দিবে ঐ কবিরাজ কুকুর কে এই বলে সে কবিরাজ কে চুক্তি করিয়া থাকে এবং ইহার পরে দেখা যাক কবিরাজ শয়তান কি কর্ম করিতে থাকে এবার দেখা জাক বিস্তারিত ২ দ্বিতীয়  যখনি কবিরাজ চুক্তি করিয়া নিয়ে থাকে তখন হইতে কেবল কবিরাজ বেটায় নুতন কিছু চিন্তা করিতে থাকে কি দিয়ে কি ভাবে ঐ মেয়েকে করায়ত্তে আনা যায় অথবা ছেলে মেয়ে দুইজনকে মিলিয়ে দেওয়া যায় এবং প্রথমিক ভাবে একটি নতুন উপস্থিত ভুদ্ধি বাহির করিয়া…

আরও পড়ুনতাবিজ তুমারে প্রেম প্রীতির সফলতা

তাবিজ কবজের সাহায্যে চোর নির্ণয় করা

১ তাবিজ কবজের সাহায্যে চোর নির্ণয় করা এবং আমাদের দেশে কেবল পূর্ব কাল হতেই আমরা দেখে আসছি যে কাহারো যদি বিশেষ কিছু ঘর হইতে চুরি হইয়া খোয়ান যায় অথবা রাত্রে ঘরে চুরি হইয়াছে কিন্তু চোর দরা পরে নাই এবং এই ক্ষেত্রে ঘরের গ্রিহস্তে কবিরাজ অথবা পির ফকিরের স্বরনা পণ্য হইয়া চোঁর দরার জন্য সাহায্য নিয়ে থাকে এবং আমাদের দেশে এটাও আমরা দেখিতে পাই গ্রামে গঞ্জে এক শ্রেণীর ভুয়া কবিরাজ পির ফকির আছে তাহারা কেবল কাহারো বিশেষ কিছুই চুরি হইলে ঐ ভুয়া কবিরাজ ও পির ফকিরেরা ভাটি চালান চোটা পরা রুটি পরা চাউল পরা দিয়েই কেবল চোর নির্ণয় অথবা চোর দরিয়া থাকে এবং এই দরনের ভুয়া কবিরাজ ও ভুয়া পির ফকির দের অথবা জাহার ঘরে বিশেষ কিছু চুরি হইয়া থাকে তাহাদের বিতরে আসলে কি পাওয়া যায় এবার একটু দির স্থিরে শুক্ষ ভাবে চিন্তা ভাবনা করিয়া দেখা যাক আমার খুদ্র জ্ঞানে কি বলে ২ দ্বিতীয়   আপনার ঘরে চুরি হইয়াছে অনেক মালা মাল খুয়ানি গিয়েছে কিন্তু আপনি চোরকে দরতে পারেন নাই অবশেষে আপনি নিকট বর্তি এক কবিরাজের স্বরনা পণ্য হইয়াছে এবং ঐ কবিরাজের…

আরও পড়ুনতাবিজ কবজের সাহায্যে চোর নির্ণয় করা

শরীরে আগাত পাওয়া বেক্তি পানিতে দুর্বল

১ শরীরে আগাত পাওয়া বেক্তি পানিতে দুর্বল এবং যেই কোন দুর্ঘটনায় আহত হওয়া রুগি যেমন গাছের উপর হইতে পরে যাওয়া অথবা দালানের উপর হইতে পরে যাওয়া রুগির অথবা হাডুডু খেলতে গিয়ে হটাত হাত অথবা পা মচকালে আমরা সাধারণত্ব পানিতে নিয়ে সাতার কাটাই জাহাতে করিয়া ঐ মচকানো পা অথবা হাতটা হইতে অতি তারা তারি জখম টা চলিয়া যায় অথবা মচকানো হাত অথবা পা টা জেনো অতি তারা তারি ভালো হইয়া যায় এবং এই সকল রুগিদের পানিতে সাতার কাটতে দিলে কি হওয়ার সম্বাবনা বেসি আছে এবারে দেখুন বিস্তারিত ২ দ্বিতীয়  আমরা সাধারণত্ব যেই কোন রকম দুর্ঘটনায় হাত অথবা পা মচকালে ঐ হাত অথবা পা মচকানো রুগিকে অতি তারা তারি পানিতে নিয়ে ফেলে দিয়ে থাকি তাহার কারন হচ্ছে অথই পানিতে যদি তাহাকে ফেলিয়া দেই তাহা হইলে এই বেক্তি পানির নিচে তলিয়ে মরার বয়ে নিযেই কেবল হাত পা নারা চারা করিয়া সাতার কাটিয়া বাচার চেষ্টা করিবে আর তাহার সাথে তাহার যেই হাত অথবা পাও টা মচকাইয়াছে ঐ হাত অথবা পা টা অতি তারা তারি ভালো হইয়া উঠিবে এই হচ্ছে কেবল আমাদের সাধারণ মানুষের দারনা…

আরও পড়ুনশরীরে আগাত পাওয়া বেক্তি পানিতে দুর্বল