১ তিমির পেট হইতে মানুষ জীবিত উদ্দার এবং ইউটিউবে সার্চ করিয়া দেখিতে পাই কোন মহাসাগরে জেলেরা মাছ শিকার করিতে গিয়ে হটাত করিয়া জ্বেলেদের ট্রলার হইতে একজন জ্বেলে পানিতে পরিয়া জাবার পরে ঐ পানিতে পরিয়া যাওয়া জেলেকে হটাত করিয়া একটি তিমি আসিয়া তাহাকে গিলে ফেলে এবং তিমি গিলে ফেলার এক দিন পরে ঐ মানুষ পূর্ণ সুস্থ ও অক্ষত অবস্থায় তিমির পেট হইতে উদ্দার হইয়া আসে এবং আমরা সাধারণত্ব জানি জাহা মানুষে অথবা যেই কোন পশু পাখি বিশেষ কিছু গিলিয়া অথবা চিবাইয়া খাইয়া ফেলিলে ঐ সকল কিছু পাকিস্থলিতে গিয়ে ৬ ঘণ্টার মদ্দেই হজম হইয়া যায় এবং ৬ ঘণ্টা পরে ঐ সকলের কিছুইর অস্তিত্ব থাকেনা আর এই কথা যদি সত্যি হইয়া থাকে তাহা হইলে ঐ তিমি ঘিলে খাওয়া মানুষটি এক দিন পরে কি ভাবে তিমির পেট হইতে অক্ষত সুস্থও অবস্থায় বেচে আসে এবং ঐ মানুষটি তিমির পেটে বেচে থাকার পিছনে কি ছিল অথবা কি কারনে ২৪ ঘণ্টা তিমির পেটে বেচে ছিল এবার দেখা যাক একটু ভালো ভাবে চিন্তা ভাবনা ও গবেষণা করিয়া এবং আমার খুদ্র জ্ঞানের গবেষণায় কি ফলা ফল আসে
২ দ্বিতীয় তিমির পেটে মানুষটা ২৪ ঘণ্টা বেচে থাকার পিছনে কি ছিল প্রথমেই এব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করিয়া দেখা যাক এবং তিমি হচ্ছে সাধারণত্ব একটি হাতির তুলনায় ২০ ঘুন বড় অথবা একটি তিমির ওজন সচার আচার প্রায় ৭৫ হইতে ৮০ টন ওজন হইয়া থাকে দিতিয়ত তিমিরা প্রায় হবু দিন পর্যন্ত খালি পেটে না খাইয়া থাকিতে হয় তাহার কারন হচ্ছে অতি সহজে তিমিরা শিকার দরিতে পারেনা তাহার কারন তিমিদের শরীর অনেক বড় অনেক ওজন থাকার কারনে তিমিরা অতি দ্রুত চলা ফেরা করিতে পারেনা বলেই তাহারা অতি সহজে শিকার দরিয়া আহার করিতে পারেনা বলেই কেবল বহু দিন অনাহারে থাকিতে হয় তাহাদের এবং এই কারনে তিমির পেটে অনেক খালি জায়গা ছিল বলিয়াই ঐ মানুষটায় তিমির পেটে গিয়ে নরা চরা করার মতো জায়গা ছিল অথবা স্বাস প্রস্বাস কাটার মতো তাহার সুবিদা ছিল তিমির পেটে এবং ত্রিতিয় তিমিদের মুখের বিতরে চিবানোর মতো দাত নেই বলেই তিমিরা জাহা খায় তাহা সকল মুখে নিয়ে গিলিয়া ফেলে এবং জাহার কারনে সে তিমির পেটের বিতরে অক্ষত অবস্থায় পৌঁছে যায়
তৃতীয় সাধারণত্ব পানিতে যেই সমস্ত প্রাণী বশও ভাষ করিয়া থাকে তাহাদের দেহের তাপ মাত্রা প্রায় সকল সময় ৩০ দিগ্রি সেলসিয়াছের নিচে থাকে এবং জাহার কারনে তাহার তিমির পেটে জিবিত থাকিতে তেমন কোন রকম অসুবিদা হায়নি এবং যখন কোন প্রাণী বিশেষ কোন কিছু গিলিয়া অথবা চিবিয়ে খাইয়া ফেলে আর ঐ সকল পাস্থলিতে জাবার পরে যদি মারা যায় তাহা হইলে কেবল ঐ সকল ৬ ঘণ্টার মদ্দেই হজম হইয়া যায় এবং যদি পাকিস্থলিতে জাবার পরে ঐ ঘিলে খাওয়া প্রাণীটায় জিবিত থাকে তাহা হইলে কেবল পেটের বিতরে নরা চরা করিয়া পেটের মদ্ধে খত বিখতের দিতে এগিয়ে যাইতে চেষ্টা করিয়া থাকে আর পেটের বিতরে যদি খত বিখত হইয়া জালা পোরা অথবা পেট বেথা শুরু হইয়া যায় তখনোই কেবল সে ভমি করিয়া পেটের বিতরে আছে জাহা তাহা ফেলিয়া দিতে বাধ্য হইয়া থাকে এবং উপরে বর্ণিত কথা গুলো যদি গ্রহন জুজ্ঞ হইয়া থাকে তাহা হইলে কেবল আমার যুক্তি সম্পূর্ণ রুপে সত্যি আমি মনে করি যেমন ঐ জেলেকে যখন তিমি গিলিয়া খাইয়া ছিল তখন তিমির পেট ছিল পুরো খালি দিতিয়ত ঐ জেলে তিমির পেটে গিয়ে স্বাস প্রস্বাস কাটার মতো যায়গা ছিল এবং যেই কোন প্রাণী নিজে বাচার চেষ্টা হর হামেসাই করিয়া যায় এবং তেমনি ভাবেই ঐ তিমি গিলে খাওয়া জেলে তিমির পেটে গিয়ে বাচার জন্য অনেক চেষ্টা করিয়াছিল যেমন তিমির পেটে গিয়ে সে অনেক নরা চরা করিতে ছিল আর তাহার নরা চরার করনে তিমির পেটের মদ্দে অনেক জালা পোরা অথবা অনেক বেথা হইতে ছিল জাহার কারনে তিমি নিজে পেটের বেথা সহ্য করিতে না পারিয়া সে অবশেষে ভমি করিয়া তাহাকে ছারিয়া দিতে বাদ্য হইয়াছে আর তাহার সাথে সে সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় তিমির পেট হইতে ফিরে আসে অথবা পুনরায় নতুন জীবন পায় সে
৪ চতুর্থ সাধারণত্ব স্থলে বশও ভাষ ক্রিত প্রাণী যতো বড়ই হউকনা কেন যদি স্থলে বসও ভাষ ক্রিত প্রাণী গিলিয়া খাইত তাহা হইলে পেটের বিতর হইতে প্রানে বেচে আসিতে পারিতনা এবং তাহার কারন হচ্ছে সাধারণত্ব স্থলে বসও ভাষ ক্রিত প্রাণীর দেহের তাপ মাত্রা ৯৮ ডিগ্রির উপরে থাকে এবং স্থলে বসও ভাষ ক্রিত প্রাণী গিলিয়া খাইলে যেই কোন প্রাণী পূর্ণ জিবিত পেটে জাবার পরে কিছুখনের মদ্দেই মারা যায় দেহের ৯৮ ডিগ্রি তাপ মাত্রার কারনে এবং পানিতে বসও ভাষ ক্রিত প্রাণীর দেহের তাপ মাত্রা সাধারণত্ব ৩০ নিচে থাকে জাহার কারনে পানিতে বসও ভাষ ক্রিত প্রাণীর শরীর সকল সময় অনেক ঠাণ্ডা থাকে স্থলে বসও ভাষ ক্রিত প্রাণীর তুলনায়
৫ পঞ্চম ইতিহাসে প্রমান আছে যে তিমির পেট হইতে মানুষ জিবিত উদ্দার করা হইয়াছে যেমন ইতিহাস প্রমান তাহার কিছু কথা তুলিয়া দরা যাক এবং হজরত নুহ নবি কে ভূমধ্য সাগর হইতে তিমি গিলিয়া ছিল এবং ঐ তিমি হজরত নুহ নবি কে সাউথ আফ্রিকার ক্যাপটাউনের সাগর সৈকতে আনিয়া ভমি করিয়া ছারিয়া দিয়ে থাকে এবং সাউথ আফ্রিকার ক্যাপটাউনে হজরত নুহ নবির মাজার বর্তমানে আছে এবং ভূমধ্য সাগর হইতে হজরত নুহ নবিকে তিমি গিলিয়া সাউথ আফ্রিকার ক্যাপটাউনে আসিয়া ভমি করিয়া ছারিয়া দিয়েছিল তাহার ঐতিহাসিক ঐতিহ্য স্বরুপ আজো ক্যাপটাউনের সাগর সৈকতে গোটা বিশ্বের তিমিরা আসিয়া জুন জুলাইতে এই দুই মাস তিমিরা মিলন মেলা করিয়া আবার পুনরায় জার জার গন্তব্বে ফিরিয়া যায় এবং ইহাতে করিয়া তিমিরা কখনোই পথ বোলা হইয়া অথবা পথ হারা হইয়া এক সাগর হইতে আর এক সাগরে চলিয়া যায়না তাহারা জার জার গন্তব্বে সঠিক ভাবে পৌঁছে যায় ইহাতে তাহাদের কোন রকম অসুবিদা হয়না এবং তিমি মানুষ গিলিয়া খাওয়া টা কেবল বিরল কারন তিমিরা অতি সহজে মানুষ খায়না বরঞ্চ মানুষদের কে তিমিরা সাহায্য করিয়া থাকে যেমন সাগর মহাসাগরে যদি হটাত করিয়া জাহাজ ডুবে যায় যখন তিমিরা ঐ ডুবন্ত জাহাজের মানুষ দের তিমিদের পিঠে করিয়া আনিয়া সাগরের কিনারায় পৌছিয়ে দেয় এবং তিমিরা সাগরে বড় বড় জাহাজের পাশেই ঘুরা ফেরা করিয়া মানুষের সাথে খেলা করিতে থাকে আর মাজে মধ্যে তিমিরা মানুষের কাছে খাইদ্ধ চায় তখন জাহাজে থাকা মানুষেরা তিমিদের কে বড় ছোট মাছ কিংবা ছাগল ভেরা তিমিদের কে দিয়ে থাকে খাইতে আর তাহার সাথে তিমিরা মানুষের দেওয়া খানা খুশি মনে খাইতে থাকে এবং তিমিরা জদিও ভুলে ক্রমে খুদার তারনায় মানুষ খাইয়া ফেলে তাহা পেটের বিতরে হজম করিতে পারেনা পরে নিরুপায় হইয়া ভমি করিয়া ছারিয়া দিতে হয় যেমন নুহ নবিকে তিমি খেয়ে ছিল ভূমধ্য সাগরে পরে ক্যাপটাউনে আসিয়া পেটের বেথার জ্বালা যন্ত্রণা সহ্য করিতে না পারিয়া পরে ভমি করিয়া ছারিয়া দিতে বাধ্য হইয়াছে এবং তেমনি ভাবেই কেবল তিমিরা মানুষ গিলে খাওয়া বিরল অথবা বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং তিমির পেট হইতে মানুষ জিবিত উদ্দার এখানেই কেবল শেষ করিলাম খোদা হাফেজ মোঃ মুস্তাফা কামাল email dmustafa41@yahoo.com or contact no 0621929486
