সাগর মহাসাগরে পানি আরও লবনাক্ত ভারবে

১ সাগর মহাসাগরে পানির লবনাক্ত ভবিষ্যতে  আরও ভারবে এবং আমরা পূর্ব কাল হইতেই শুনে আসছি সাধারণ মানুষ হইতে শুরু করিয়া বিজ্ঞানীরা পর্যন্ত বলেছেন যে লবনের জন্ম পানিতে অথবা সাগরে এবং আগে যে সাধারণ মানুষের কাছে শুনেছি অথবা বিজ্ঞানীরা যাহা বলে গেছেন ঐ কথা কতো টুকু সত্যি অথবা যুক্তি সঙ্গত এবার একটু ভালো ভাবে চিন্তা ভাবনা করিয়া দেখা যাক

২  দ্বিতীয় অধ্যায়   পৃথিবী জন্মের অনেক পূর্বে পানির জন্ম এবং পানি জন্ম হবার পূর্বে মহাকাশে ছিল দুমড়ের মতো কিছু মেঘ এবং ঐ মেঘ হইতে বৃষ্টি বর্ষণ হইয়া পানির সৃষ্টি হয় এবং জখন সর্ব প্রথম পানির সৃষ্টি হয় তখন পানি ছিল পুরো মিনারেল ও কাচের মতো স্বচ্ছ পরিষ্কার পানির বিতরে বিশেষ কোন ময়লা আবর্জনা ছিলোনা এবং সৃষ্টির শুরুতে যখন পানির সৃষ্টি হইয়া ছিলও ঐ পানি গুলোয় একটি বলের মতো চাক বাদিয়া মহাকাশে উড়তে থাকে এই ভাবে চলে যায় কয়েক কুঠি বৎসর তাহার পড়ে ঐ মহাকাশে উড়ন্ত পানিতে ময়লার জন্ম হয় এবং ঐ ময়লার বিতরে আস্তে আস্তে লবণের জন্ম এবং কেবল ময়লার বিতরেই লবণের জন্ম হয়না আড়ো অনেক কিছুতেই লবণের জন্ম হইতে থাকে যেমন ঐ পানিতে আগাছা পড়গাছার জন্ম হয় আড়ো হরেক রকমের জলজ পোকা মাকড়ের জন্ম হয় যেমন ছোট বড় মাছ আড়ো অনেক কিছুর জন্ম হইতে থাকে আর এই সকলের বিতরেই কেবল লবণের জন্ম হইতে থাকে এবং এই সকল যাহার বিতরে লবণের জন্ম হইতে থাকে তাহা আবার মারা যাবার পড়ে পচিয়া গলিয়া পানির নিচে তলানি পরিয়া মাটির জন্ম হইতে থাকে আর ঐ সমস্তের বিতরে রক্ত মাংসে মিশিয়া জাহা লবণ ছিল তাহা আবার সাগরের পানির সাথে মিশিয়া পানিকে লবণাক্ত করিতে সাহায্য করিয়া থাকে এবং এই ভাবেই কেবল লবনের জন্ম হইয়ে থাকে

৩  তৃতীয়  আমাদের পৃথিবীতে জাহা আছে যেমন গাছ পালা বৃক্ষ তরু লতা পশু পাখী প্রাণী তাহা সকল কিছুর বিতরেই লবন পাওয়া যায় যেমন গাছ পালা পশু পাখি তাহা সকল কিছুর মধ্যেই আপনি একটু আপনার জিভা লাগিয়ে দেখুন লবনের স্বাদ পাবেন এবং ইহাতে প্রমান পাওয়া যায় পৃথিবীতে সকল কিছুর বিতরেই লবন আছে অথবা পাওয়া যায় অথবা জন্ম হয় এবং এই সকল মারা জাবার পরে পচিয়া গলিয়া মাটিতে মিসিয়া যায় আর তাহার বিতরে যেই টুকু লবন থাকে লবন টুকু সাধারণত্ব বৃষ্টির পানির সাথে মিসিয়া নদি নালাতে নামিয়া গিয়ে ঐ সাগরের পানিতে মিসিয়া গিয়া সাগর মহাসাগরের পানিকে লবনাক্ত করিতে সাহায্য করিয়া থাকে এবং আমার এই যুক্তি যদি সঠিক হয়ে থাকে তাহা হইলে আসা করিয়া ভবিষ্যতে সাগর মহাসাগরের পানি আরও লবনাক্ত হইবে কারন জমিনে গাছ পালা পশু পাখি হইতে যেই সমস্ত লবন গুলোর জন্ম হইয়ে থাকে ঐ সমস্ত লবন গুলোয় বৃষ্টির পানির সাথে মিসিয়া গিয়ে সাগর মহাসাগরের পানিকে লবনাক্ত করিতে সাহায্য করিয়া থাকে আবার ঐ লবনই সাগর হইতে সংগ্রহ করে আনিয়া আমরা মেসিনের সাহায্যে পরিস্কার করিয়া আমরা খেয়ে থাকি এবং আমরা লবন খাওয়ার পরে কিন্তু লবণকে দেহের বিতরে আটকে রাখিতে পারিনা কারন তাহা আমাদের দেহের বিতর হইতে মল মুত্রের সাথে পায়খানা পস্রাবের রাস্তা দিয়ে বেরিয়ে আসে অথবা আমরা মল তেঘ করিয়া ফেলি আবার বাকি লবন পানি টুকু শরীরের লোম কুপের সাহায্যে শরীর হইতে গামের সাহায্যে পানি ও লবন বাহির হইয়া আসে এবং এই সকল পানির সাথে মিসিয়া সাগরে নেমে গিয়ে সাগরের পানিকে লবনাক্ত করিতে সাহায্য করিয়া থাকে এবং পানিতে কেবল লবনের জন্ম নয় পানিতে লবনের আশ্রয় এবং পৃথিবীর যেখানেই লবনের জন্ম হউক না কেন তাহা সকলের আশ্রয় হয় একমাত্র পানিতে এবং আমরা লবণাক্ত জাহা খেয়ে থাকি তাহা আবার আমরা ত্যাগ করিয়া থাকি আমাদের ত্যাগ করা লবন গুলোয় আবার পানির সাথে মিসিয়া সাগরে চলিয়া যায় আবার লবন চাষিরা সাগর হইতে লবন কুরিয়ে আনিয়া পুনরায় আমাদের কে খাওয়াতে বাধ্য করিয়া থাকে এবং এই ভাবেই পানি আর লবন কে কখনোই আটকে রাখা যায়না এবং পৃথিবীতে সকল কিছুর মৃত্যু আছে একমাত্র পানি আর লবনের বিশেষ কোন মৃত্যু নেই এবং লবনের আর পানির জন্ম আছে কিন্তু মৃত্যু নেই এবং পানি আর লবন কোন সময় এক যায়গাতে স্থাই থাকে না লবন আর পানি সকল সময় করে স্থানান্তর এবং উপরে বর্ণিত কথা গুলো যদি যুক্তি জুক্ত হইয়ে থাকে অথবা গ্রহন জুজ্ঞ হইয়ে থাকে তাহা হইলে ভবিষ্যতে সাগর মহাসাগরে পানির লবনাক্ত আর ভারবে কারন জমিনে পানিতে অথবা জলে স্থলে সকল যায়গাতেই গাছ পালা ব্রিক্ষ তরু লতা পশু পাখি কিট পতঙ্গ তাহা সকল কিছুর বিতরেই লবন এমনিতেই জন্ম হইতে থাকে তাহার পরে এই লবন সকল পানিতে মিসিয়া গয়ে সাগর মহাসাগরের পানিকে লবনাক্ত করিতে সহায়তা করিয়া থাকে এবং আমাদের পৃথিবীতে এমন কিছুই নাই জাহাতে বিশেষ কোন লবন নাই এবং কথা যদি সত্যি হইয়ে থাকে তাহা হইলে সাগর মহাসাগরের পানিতে ভবিষ্যতে আর লবনাক্ত বারিবে এবং সাগর মহাসাগরে ভবিষ্যতে আর লবনাক্ত বারবে এখানেই শেষ করিলাম খোদা হাফেজ মোঃ মুস্তাফা কামাল     email           dmustafa41@yahoo.com

 

Mostofa Kamal
Mostofa Kamal
Articles: 481

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।