১ সূর্য গ্রহন চাঁদের দারায় প্রতি বৎসর দুইবার হয় এবং মহাকাশে অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষা ও গবেষণার পরে বর্তমানে এই ফলা ফল আসছে যে নিয়ম মাফিক ভাবে অথবা মহাকাশের প্রাকৃতিক নিয়মে সূর্য গ্রহন চাঁদের দারায় প্রতি বৎসরে দুইবার হইয়া থাকে এবং চাঁদ ছারাও বাকি অন্যান্য গ্রহের দারায়ও বিশেষ করিয়া মাজে মধ্যে সূর্য গ্রহন হইয়া থাকে কিন্তু আমরা পূর্বে সাধারণত্ব মানুষ হইতে শুরু করিয়া আগে কার মহাকাশ বিজ্ঞানীদের কাছ থেকেও শুনেছি অন্য রকম কিছু সূর্য গ্রহন এর ব্যাপারে যেমন আগে আমরা শুনেছি যে সূর্য গ্রহন এর বিশেষ কোন রকম নির্দিষ্ট সময় সীমা নাই এবং সূর্য গ্রহন প্রতি পাঁচ বৎসর ১০ দশ বৎসর ১৫ পনেরো বৎসর পড়ে এই ভাবেই হইয়া থাকে সূর্য গ্রহনের বিশেষ কোন নির্দিষ্ট সময় সীমা নেই এবং উপরে বর্ণিত কথা গুলোর কোনটি সত্যি অথবা গ্রহন জুজ্ঞ আগে পূর্বে যাহা শুনেছি সূর্য গ্রহন সম্বন্দে তাহা সত্যি না বর্তমানে গবেষণায় নতুন তথ্য উঠিয়া আসছে সূর্য গ্রহন সম্বন্দে তাহা সত্যি এবং এই দুইয়ের মধ্যে কোনটি সত্যি এবং উপরে বর্ণিত কথা গুলোর সঠিক জভাব খুজিয়া পাওয়া যাবে কি এবং এবার দেখা যাক একটু চিন্তা করিয়া আমার খুদ্র জ্ঞানে কি বলে
২ দ্বিতীয় আমি প্রথমেই বলতে চাই যে চাঁদকে পৃথিবীর কোন দেশ হইতে কতো টুকু দূরে দেখা যায় এবং পৃথিবীর উত্তর মেরু জাপান মঙ্গোলিয়া রাশিয়া গ্রিনল্যান্ড কানাডা হইতে চাঁদের দিকে তাকালে চাঁদকে দেখা যায় যেমন পূর্ব দক্ষিন কোনা হইতে চাঁদ উদয় হইয়া বরা বর দক্ষিন দিক দিয়ে গিয়ে পশ্চিম দক্ষিন কোনায় অস্ত যাইতেছে এই রকম কিছু মনে হয় এবং পৃথিবীর দক্ষিন মেরু অস্ট্রেলিয়া দক্ষিন আফ্রিকা দক্ষিন আমেরিকার চিলি হইতে চাঁদের দিকে তাকালে মনে হয় জেনও উত্তর পূর্ব কোনা হইতে চাঁদ উদয় হইয়া বরা বর উত্তর আকাশ দিয়ে গিয়ে উত্তর পশ্চিম কোনায় অস্ত যাইতেছে এই রকম কিছু মনে হয় এবং বিশেষ করিয়া আমাদের বাংলাদেশের ঢাকা হইতে চাঁদের দিকে তাকালে মনে হয় জেনো সামান্য একটু পূর্ব দক্ষিন দিক হইতে চাঁদ উদয় হইয়া আমাদের মাথার উপর হইতে সামান্য একটু দক্ষিন দিক দিয়ে অথবা বঙ্গপ সাগরের উপর দিয়ে গিয়ে পশ্চিম সামান্য একটু দক্ষিন দিক দিয়ে গিয়ে অস্ত যায় এই রকম কিছু মনে এবং পৃথিবীর উত্তর মেরু ও দক্ষিন মেরু এর মধ্য ভর্তি যেমন ইন্দোনেশিয়া থাইল্যান্ড সিঙ্গাপুর বঙ্গপ সাগর মধ্য আফ্রিকা মধ্য আমেরিকা এই সকল দেশ হইতে বিশেষ করিয়া চাঁদের দিকে তাকালে মনে হয় চাঁদ বরা বর পূর্ব দিক হইতে উদয় হইয়া আমাদের মাথার উপর দিয়ে গিয়ে বরা বর পশ্চিম দিকে অস্ত যায় এই রকম কিছু মনে হয় এবং বর্ণিত যেই সকল দেশের নাম উল্লেখ করা হইয়াছে ঐ সকল দেশ হইতে যাহারা যেই রকম চাঁদকে দেখিয়া আসছে তাহা বৎসরের ১২ মাস অথবা সকল সময় ঐ রকমই দেখিতে পাইবে এবং ইহার চাইতে কম বেসি নয় অথবা ইহার চাইতে ভালো মন্দ নয় এবং এতক্ষণ বর্ণনা করা হইয়াছে বিশেষ করিয়া চাঁদকে পৃথিবীর কোন দেশ হইতে কি রকম দেখা যায় এবং এখন যানা জাক সূর্য গ্রহন চাঁদের উপর নির্ভর করিয়া প্রতি বৎসর দুইবার হয় কেন
৩ তৃতীয় আমাদের পৃথিবীতে কিন্তু দুইটি ঋতু হইয়া থাকে যেমন একটি হচ্ছে শীতকাল অপরটি হচ্ছে গরমকাল এবং এই শীতকাল আর গরমকাল হইয়া থাকে চাঁদের উপরে নির্ভর করিয়া যেমন আমাদের উত্তর মেরুতে যখন শীতকাল থাকে তখন কিন্তু পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ গুলোতে গরমকাল থাকে এবং যখন পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ গুলোতে যখন শীতকাল থাকে তখন আবার আমাদের উত্তর মেরুর দেশ গুলোতে গরমকাল থাকে এবং পৃথিবীর এই শীতকাল আর গরমকাল কিন্তু নিয়ন্ত্রণ করিয়া থাকে চাঁদ হইতে এবং পৃথিবীর উত্তর মেরুর শীতকাল শেষ করিয়া যখন উত্তর মেরুতে গরমকালের জন্য চাঁদ আমাদের মাথার উপর দিয়ে দক্ষিন দিকে লম্ফ অথবা ফাল দিয়ে থাকে তখন কিন্তু চাঁদের সাথেই চাঁদের চুম্বক আকর্ষণে আমাদের পৃথিবীটাও দক্ষিন দিকে কাইত হইতে থাকে আর ইহার সাথে সাথেই কিন্তু পৃথিবীর উত্তর মেরু অথবা আমাদের দেশে গরমকাল হইয়া যায় আর এই সময় টাতে পৃথিবীর দক্ষিন মেরুর দেশ গুলোতে শীতকাল হইয়া যায় এবং চাঁদ যখন ঋতুর পরিবর্তনের জন্য মাথার উপর দিয়ে দক্ষিন দিকে লম্ফ অথবা ফাল দিয়ে থাকে তখন কিন্তু এক পাশে পৃথিবী মধ্য খানে চাঁদ অপর পাশে সূর্য এই তিনে মিলিয়া বরা বর হইয়া একটি সরল রেখা হইয়া যায় আর তাহার সাথেই কিন্তু কিছুক্ষণের জন্য পৃথিবীতে সূর্যের আলো ও তাপ হইতে বঞ্চিত থাকে অথবা সূর্য গ্রহন হইয়া যায় এবং এই সময় টা বাংলা বৈশাখ মাষের শেষ জ্যৈষ্ঠ মাষের প্রথম এই দুই মাষের মধ্য ভাগে হইয়া থাকে
৪ চতুর্থ পুনরায় ছয় মাষ পরে যখন আবার পৃথিবীতে ঋতুর পরিবর্তনের জন্য চাঁদ যখন দক্ষিন দিক হইতে মাথার উপর দিয়ে উত্তর দিকে লম্ফ অথবা ফাল দিয়ে থাকে তখন কিন্তু চাঁদের সাথে পৃথিবীটাও চাঁদের চুম্বক আকর্ষণে উত্তর দিকে কাইত হইতে থাকে আর ইহার সাথে সাথেই কিন্তু পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে গরমকাল হইয়া যায় আর এই দিক দিয়ে পৃথিবীর উত্তর মেরুতে শীতকাল হইয়া যায় এবং চাঁদ যখন পৃথিবীতে ঋতুর পরিবর্তনের জন্য দক্ষিন দিক হইতে উত্তর দিকে লম্ফ অথবা ফাল দিয়ে থাকে তখন কিন্তু পুনরায় এক পাশে পৃথিবী মধ্য খানে চাঁদ অপর পাশে সূর্য এই তিনে মিলিয়া বরা বর হইয়া গিয়ে একটি সরল রেখা হইয়া যায় আর তাহার সাথে সাথেই কিছুক্ষণের জন্য পৃথিবীতে সূর্যের আলো ও তাপ হইতে বঞ্চিত থাকে অথবা কিছুক্ষণের জন্য সূর্য গ্রহন হইয়া যায় এবং এই সময়টা হইয়া থাকে বাদ্র ও আশ্বিন মাষের মধ্য ভাগে এবং ইংরেজি সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের মধ্য খানে পৃথিবীতে ঋতুর পরিবর্তন করিতে গিয়ে পৃথিবী চাঁদ সূর্য এই তিনে মিলে সরল রেখা হইয়া গিয়ে সূর্য গ্রহন হইয়া যায় এবং মার্চ ও এপ্রিল এই দুই মাষের মধ্য খানে আবার পৃথিবীতে ঋতুর পরিবর্তনের জন্য পৃথিবী ও চাঁদ ও সূর্য এই তিনে মিলে সরল রেখা হইয়া গিয়ে পৃথিবীতে সূর্য গ্রহনের ছায়া পরিয়া যায় কিছুক্ষণের জন্য এবং নিয়ম মাফিক অথবা প্রাকৃতিক নিয়মে প্রতি বৎসরে দুইবার চাঁদের দারায় সূর্য গ্রহন হইয়া থাকে আবার ইহা ছারাও বাকি অন্য সকল গ্রহের দারাও সূর্য গ্রহন হইয়া থাকে কিন্তু বৎসরের সকল গুলো সূর্য গ্রহন আমাদের চোখে পরেনা তাহার কারন সূর্য গ্রহন হইলে কিন্তু এক সাথে গোটা পৃথিবীতে সূর্য গ্রহনের প্রভাব পরেনা অথবা গোটা পৃথিবী এক সাথে ঢাকা পরেনা এমন কি একটি দেশের সকল যায়গাতে সূর্য গ্রহনের প্রভাব পরে না বিশেষ করিয়া অল্প সংখ্যক যায়গাতে সূর্য গ্রহনের প্রভাব পরিয়া থাকে এমন কি এক এক দেশে এক এক বৎসর সূর্য গ্রহনের প্রভাব পরিয়া থাকে যাহার কারনে আমরা সূর্য গ্রহন সব কয়টি দেখিতে পাইনা
৫ পঞ্চম পৃথিবীতে সৎ করা ২৫ ভাগ হচ্ছে স্থল অথবা ভুমি আর সৎ করা ৭৫ ভাগ হচ্ছে জ্বল অথবা পানি অথবা সাগর মহাসাগর এবং সূর্য গ্রহনের প্রভাব যেই কয়টি ভুমিতে পরিয়া থাকে সেই কয়টি শুধু আমাদের চোখে পরিয়া থাকে এবং যেই কয়টি সূর্য গ্রহনের প্রভাব সাগর মহাসাগরে পরিয়া থাকে সেই কয়টি কিন্তু আমরা ভুলেও দেখিতে পাইনা এবং গোটা পৃথিবীতে যদি সৎ করা ২৫ ভাগ স্থল অথবা ভুমি হইয়া থাকে আর সৎ করা ৭৫ ভাগ যদি জল অথবা পানি হইয়া থাকে তাহলে সূর্য গ্রহনের প্রভাব সৎ করা মাত্র ২৫ ভাগই আমরা দেখিতে পাই আর বাকী ৭৫ ভাগ সূর্য গ্রহণ সাগর মহাসাগরে প্রভাব ফেলিয়া চলিয়া যায় এই রকম কিছু হইয়া থাকে এবং উপরে বর্ণিত সূর্য গ্রহন সম্বন্দে আলাপ আলাপন এই সকল কাগজে কলমে সাধারণ মানুষকে ভুজানো অনেক কঠিন ব্যাপার তবে সাধারণ মানুষকে ভুজানো যাইবে যদি ব্ল্যাক বোর্ডে পৃথিবী চাঁদ সূর্যের ছবি অঙ্কন করে ম্যাপ অথবা মানচিত্র তৈরি করিয়া ভুজানো যায় তাহা হইলে সাধারণ মানুষে কিছুটা ভুজাতে পাড়িবে এবং ইহার মধ্যে যদি কোন কেহ বিশেষ করিয়া মহাকাশ নিয়ে বিশেষ কিছু চিন্তা ভাবনা মনে মনে করিয়া থাকে তাহলে ঐ বেক্তি অতি তারা তারি ভুজতে পারিবে আমার এই সূর্য গ্রহন সম্বন্দে বিশেষ কিছু চিন্তা ভাবনা এবং সূর্য গ্রহন চাঁদের দারায় বৎসরে দুইবার হয় এখানেই শেষ করিলাম খোদা হাফেজ মোঃ মুস্তাফা কামাল email dmustafa41@yahoo.com
