পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন চাঁদের উপর নির্ভর শীল

১ পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন চাঁদের উপর নির্ভর শীল এবং আমরা সকলেই কম আর বেশি সূর্য গ্রহন দেখিয়াছি এমন কি আমরা প্রতি বৎসরই টেলিভিশন পেপার পত্রিকায় দেখিতে শুনিতে পাই কোন না কোন দেশে সূর্য গ্রহন হইছে কিংবা হইবে এমন কিছু এবং আমরা এই পর্যন্ত যতো বার সূর্য গ্রহন দেখেছি তাহার মধ্যে প্রায় কয়েকটি পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন ছিল ভাকি গুলো ছিল অল্প গ্রাস অথবা অর্ধ গ্রাস এমন কি বিশেষ কয়েকটি সূর্য গ্রহন ছিল সামান্য গ্রাস যাহা চোখে পড়ার মতো নয় এবং পূর্বের পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন গুলো কি আসলেই পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন ছিল না সামান্য গ্রাস সূর্য গ্রহন ছিল এবং সত্যিই যদি পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন হয় তাহা কি রকম হইবে অথবা সত্যিই যদি পূর্ণ  গ্রাস সূর্য গ্রহন হয় তাহার স্থায়িত্ব থাকিবে কয় দিন অথবা কয় ঘণ্টা এবং দীর্ঘ মেয়াদী স্থায়িত্ব পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন কি পূর্বে কখনো হইছিলও কি এবং উপরে বর্ণিত প্রশ্ন গুলোর সঠিক তথ্য অথবা সঠিক জভাব আছে কি না এবং এবার দেখা যাক চিন্তা ভাবনা করিয়া আমার খুদ্র জ্ঞানে কি বলে

২ দ্বিতীয়  প্রথমেই আমি বলতে চাই যে আমরা পূর্বে অথবা পৃথিবী জন্মের পড় হইতে আমরা এই পর্যন্ত যতো গুলো পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন দেখছি অথবা হইয়াছে তাহা বিশেষ করিয়া কোন টাই পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন ছিলনা এবং পূর্বের পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন গুলোকে পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন বলা হইয়াছে এই কারনে যে ঐ পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন গুলো যেই সময় যেই দেশে হইয়া ছিল ঐ সময় ঐ দেশে পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন চলা কালিন একে বারে পুরো পুরী রাত্রের মতোই অন্দকার হইয়া গিয়েছিলো এবং পূর্ণ  গ্রাস সূর্য গ্রহন চলা কালিন ঐ পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহনের আওতা ভুক্ত এলাকার মধ্যে অন্দকার রাত্রের মতোই পুরো অন্দকার হইয়া গিয়েছিলো বিশেষ কিছুই দেখা যায়নি যাহার কারনে ঐ সূর্য গ্রহন গুলোকে পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন বলে গণ্য করা হইয়াছে এবং পূর্বের ঐ পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন গুলোর স্থায়িত্ব ছিল কম পক্ষে ১৫ মিনিট অথবা ৩০ মিনিত বেসি হইলে ১ ঘণ্টা ইহার বেসি নয় এবং যেই সমস্ত সূর্য গ্রহন গুলো পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন ছিলোনা ঐ সকল সূর্য গ্রহন চলা কালিন অন্দকার রাত্রের মতো অন্দকার হয় নাই কিন্তু বর্ষা মৌসুমে গোটা দেশ মেঘে ঢাকা পড়িলে যেই পরিমাণে সূর্যের আলো থাকে ঠিক এই পরিমাণেই আলো ছিল সূর্য গ্রহন কবলিত দেশ গুলাতে যাহার কারনে ঐ সকল সূর্য গ্রহন কে পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন না বলে শুধু সাধারণ অথবা ছোট খাটো সূর্য গ্রহন বলে গণ্য করা হইয়াছে এবং আপনারা একটি কথা সকল সময় মনে রাখিবেন বেসির ভাগ সূর্য গ্রহন হইয়া থাকে চাঁদের উপরে নির্ভর করিয়া এবং যখন পৃথিবীও সূর্যের মধ্য খানে চাঁদ আসিয়া অবস্থান করিতে থাকে অথবা পৃথিবীও সূর্যের মধ্য খানে চাঁদ আসিয়া বরা বর সরল রেখা হইয়া যায় তখনোই সূর্য গ্রহন হবার সম্ভাবনা থাকে এবং পৃথিবীও সূর্যের মধ্য খানে চাঁদ কখন আসে যখন অমাবস্যার চাঁদ হয় তখন এবং পূর্ণিমার চাঁদ হইতে যখন চাঁদ আস্তে আস্তে ছোট হইতে গিয়ে এক সময় চাঁদ নাই হইয়া যায় তখন অমাবস্যার চাঁদ বলা হইয়া থাকে এবং যেই পর্যন্ত সূর্য অস্ত যাবার পরে সন্দাকালে পশ্চিম আকাশে বাঁকা চাঁদ না দেখা যাইবে সেই পর্যন্ত অমাবস্যার চাঁদ বলা যায় ইহার বেসি কিছুই না এবং এবার একটু নিচের দিকে তাকিয়ে দেখা যাক আসল পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন কাহাকে বলে এবং আসল পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন কি রকম কয় ঘণ্টা কয় দিন স্থায়িত্ব থাকে এবং গোটা পৃথিবী ঢাকা পরিয়া যায় কিনা

৩ তৃতীয়  পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন নিয়ে বিস্তারিত দেখা যাক এবং সূর্য গ্রহন কিন্তু পূর্ণিমার চাঁদের মধ্যে কখনোই হয় না তাহার কারন পূর্ণিমার চাঁদের সময় পৃথিবীর এক পাশে থাকে সূর্য আর অপর পাশে থাকে পূর্ণিমার চাঁদ যাহার কারনে পূর্ণিমার চাঁদের সময় কখনোই সূর্য গ্রহন হয় না এবং যখন চাঁদের দারায় সূর্য গ্রহন হয় তখন অমাবস্যার চাঁদ থাকে আর অমাবস্যার চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মধ্য খানে অবস্থান করিয়া থাকে এবং ইহার মধ্যে যখন পৃথিবী আর মধ্যে অমাবস্যার চাঁদ অপর পাশে সূর্য একটি সরল রেখা হইয়া যায় তখনোই কিন্তু সূর্য গ্রহন হইতে দেখা যায় এবং পৃথিবী জন্মের পড় হইতে আজো আমি মনে করি আসল পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন কখনোই হয় নাই এবং ভবিষ্যতেও হবে বলে আমি মনে করিনা এবং তাহার কারন যদি আসল পূর্ণ সূর্য গ্রহন হয় তাহলে পৃথিবীতে ১৮০ ঘণ্টা অথবা ৭,৫০ দিন পর্যন্ত সূর্যের আলো দেখিতে পাইবেনা এবং তাহার কারন আপনারা একটি কথা মনে রাখিবেন যেমন পৃথিবীর তুলনায় চাঁদ হচ্ছে ২৯,৫৮ গুন বড় এবং এই ২৯,৫৮ গুন বড় চাঁদটি যদি পুরো পুরী অথবা সম্পূর্ণ রুপে পৃথিবীতে সূর্য গ্রহনের জন্য পৃথিবী ও সূর্যের মধ্য খান দিয়ে বরা বর ক্রস করিয়া যায় তাহলে ইহাতে চাঁদের ক্রস করিয়া যাইতে সময় বেয় হইবে ১৮০ ঘণ্টা অথবা ৭,৫০ দিন এবং এই ১৮০ ঘণ্টা অথবা ৭,৫০ দিনের মধ্যে ভুলেও পৃথিবী হইতে সূর্যের আলো ও তাপ দেখিতে পাইবেনা এবং এই ভাবেই যদি পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহনের উপরে নির্ভর করিয়া গোটা পৃথিবী ১৮০ ঘণ্টা অথবা ৭,৫০ দিন পর্যন্ত সূর্যের আলো ও তাপ হইতে বঞ্চিত থাকে তাহলে এই ১৮০ ঘণ্টা অথবা এই ৭,৫০ দিনের গোটা পৃথিবী ঠাণ্ডা হইয়া বরফ জমিয়া যাইবে আর ইহার সাথে পৃথিবীর সকল কিছুই মরিয়া সাফা হইয়া যাইবে এবং এই রকম সূর্য গ্রহন যদি হয় তাহলে এটাই হইবে আসল পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন এবং এই রকম পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন পূর্বে কখনোই হয়নি আর হবে বলেও আমি মনে করিনা কারন এই রকম সূর্য গ্রহন হইলে গোটা পৃথিবী ঠাণ্ডায় ধ্বংস হইয়া যাইবে এবং আমরা এই পর্যন্ত যেই সকল সূর্য গ্রহন দেখেছি এই সকল সূর্য গ্রহনের সময় চাঁদের সামান্য একটু অংশ পৃথিবী ও সূর্যের মধ্য খানে সরল রেখাতে পৌঁছে আর ইহাতে করিয়াই ১ ঘণ্টা আদা ঘণ্টা অথবা ১৫ মিনিট সূর্য গ্রহনের স্থায়িত্ব থাকে এবং  পূর্ণ চাঁদ টাই পৃথিবী ও সূর্যের মধ্য খানে অবস্থান করিয়া সূর্য গ্রহনের সৃষ্টি হয় তাহলে মনে করিবেন ঐ সূর্য গ্রহন স্থায়িত্ব থাকিবে ১৮০ ঘণ্টা অথবা ৭,৫০ দিন আর এই ১৮০ ঘণ্টা অথবা ৭,৫০ দিনের মধ্যে পৃথিবী হইতে সূর্যের আলো ও তাপ কখনোই দেখিতে পাইবেনা এবং তাহার সাথে ঐ দিনই হইবে পৃথিবীর জন্য শেষ দিন এবং উপরে বর্ণিত কথা আপনাদের বিচার বিশ্লেষণের উপরে ছেরে দেওয়া হল এবং আপনারা পরিয়া বিচার বিশ্লেষণ করিয়া দেখিবেন আমার গবেষণা অথবা চিন্তা ভাবনা কতো টুকু গ্রহন জুজ্ঞ অথবা অগ্রহন জুজ্ঞ এবং পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহন চাঁদের উপর নির্ভর শীল এখানেই শেষ করিলাম খোদা হাফেজ মোঃ মুস্তাফা কামাল   email  dmustafa41@yahoo.com 

   

Mostofa Kamal
Mostofa Kamal
Articles: 481

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।