১ সূর্যটা পৃথিবীর জন্য যথেষ্ট নয় এবং সাধারণত্ব বড় বড় বিজ্ঞানী হইতে শুরু করিয়া আমরা সকলেই জানি যে পৃথিবীর জন্মের পূর্ব হইতেই অনন্তকাল দরে ঐ সূর্যটায় কেবল একাই আমাদের পৃথিবীকে আলো ও তাপ দিয়ে আসছে এবং আমাদের পৃথিবীর জন্য যতো টুকু আলো ও তাপের দরকার তাহা কেবল ঐ সূর্যটায় একাই কেবল তাহা পুরন করিয়া রাখিতেছে কিন্তু এখন নতুন করিয়া গবেষণায় পাওয়া যায় যে ঐ সূর্যটার একার পক্ষে আমাদের পৃথিবীকে আলো তাপ দেওয়া যথেষ্ট নয় এবং এই নতুন গবেষণায় কোথায় কি ভাবে কীসের উপরে বিত্তি করিয়া পাওয়া যায় যে সূর্যটার একা পক্ষে আলো ও তাপ দেওয়া পৃথিবীকে যথেষ্ট নয় এবং এবার একটু ভালো ভাবেই চিন্তা ভাবনা করিয়া দেখা যাক সাধারণত্ব আমার খুদ্র জ্ঞানে কি বলে
২ দ্বিতীয় সূর্যটা পৃথিবীর জন্য যথেষ্ট নয় তাহার কিছু প্রমান তুলিয়া দরা যাক যেমন পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে দক্ষিন মহাসাগর এবং দক্ষিন মহাসাগরের দক্ষিনের শেষ প্রান্তে হচ্ছে কেবল এন্টার্কটিকা মহাদেশ এবং যেই মহাদেশে কেবল বৎসরের ছয় মাস দিন আর ছয় মাস রাত্র থাকে এবং এন্টার্কটিকা মহাদেশে কেবল বৎসরের ১২ মাসই বফর থাকে এখানে শুধু কেবল বরফ ছারা আর কিছুই নাই এবং সেখানে মাত্র দুই প্রজাতির প্রাণী আছে সেটা হচ্ছে কেবল সাদা ভাল্লুক আর পেঙ্গুইন পাখি সেখানকার প্রাণী আর বিশেষ কিছুই নাই এবং আমাদের পৃথিবীতে পৃথিবীর দক্ষিণ মেরুতে যখন গরমকাল তখন কেবল এন্টার্কটিকা মহাদেশে পুরো ছয় মাস দিন থাকে এবং এই ছয় মাসের বিতরে আর কোন রাত্র হয়না কিন্তু যখন এন্টার্কটিকা মহাদেশে দিন থাকে তখন কেবল এন্টার্কটিকা মহাদেশ হইতে সূর্যটাকে এমন দেখা যায় যেমন সন্দাকালে সূর্যাস্ত যাবার সময় অথবা সূর্যাস্ত যাবার ১০ মিনিট আগে যেই রকম লাল তাপ বিহিন আলো বিহিন দেখা যায় ঠিক এন্টার্কটিকা মহাদেশে যখন দিন থাকে ঠিক তেমনি দেখা যায় সূর্যটাকে আর এই কথা যদি সত্যি হইয়া থাকে তাহা হইলে এখানে ভুজা যায় যে পৃথিবীর মধ্য সীমা রেখাতে সন্দাকালে সূর্যের আলো ও তাপ থাকেনা এবং এই রকম যদি এন্টার্কটিকা মহাদেশে ছয় মাষ এই রকম দেখা যায় অথবা থাকে তাহা হইলে সেখানে তাপমাত্রা শূন্য ছারা আর কিছুই হবার কথা নয় এবং সত্যি এন্টার্কটিকা মহাদেশে বৎসরের ১২ তাপমাত্রা শূন্য থাকে যাহার কারনে সেখানে শুধু বরফ আর বরফ বিশেষ করিয়া ঐ খানে গাছ পালা ব্রিক্ষ তরু লতা নেই বল্লেই চলে এবং যখন পৃথিবীর উত্তর মেরুতে গরমকাল হয় তখন আবার কেবল এন্টার্কটিকা মহাদেশে শুধু রাত্র থাকে ছয়মাস এবং এই ছয়মাস কেবল রাত্রই থাকে এই ছয়মাসের বিতরে কোন দিন হয়না এবং যেখানে কেবল বৎসরের ছয়মাস শুধু রাত্র থাকে দিনের মুখ না দেখিতে পায় সেখানে শুধু বরফ ছারা আর কি থাকিতে পারে চিন্তা করেন
৩ তৃতীয় তেমনি ভাবেই কেবল পৃথিবীর উত্তর মেরুতে রাশিয়া এবং রাশিয়ার উত্তরে উত্তর মহাসাগর এবং উত্তর মহাসাগরে বিশেষ করিয়া কোন দিপ অথবা দেশ নেই বলে বিশেষ কিছুই দেখিতে পাওয়া যায়না যেমন পৃথিবীর উত্তর মেরুতে উত্তর মহাসাগরেও বিশেষ করিয়া তাপমাত্রা শূন্য কিন্তু উত্তর মহাসাগরে বিশেষ করিয়া বরফ হয় না তাহার কারন সেখানে বিশেষ করিয়া কোন দিপ অথবা দেশ নেই অথবা ভুমি নেই তাহলে পানি কীসের সাথে আটকে গিয়ে অথবা স্থির থাকিয়া বরফ হইবে এবং সেখানে পানি আটকে থাকার অথবা স্থির থাকার মতো কোন কিছুই নাই যাহার কারনে সেখানে বরফ পানির মধ্যে বরফ পরেনা এবং যদি এন্টার্কটিকা মহাদেশের মতোই উত্তর মহাসাগরে বিশেষ কোন দিপ অথবা ভুমি থাকিত তাহা হইলে ঐ ভুমিতে অথবা দিপে পানি আটকে গিয়ে ঐ এন্টার্কটিকা মহাদেশের মতোই উত্তর মহাসাগরেও বৎসরের ১২ মাসই বরফ থাকিত এবং এন্টার্কটিকা মহাদেশের মতোই কেবল উত্তর মহাসাগরের উত্তর প্রান্তে ছয়মাস দিন আর ছয়মাস রাত্র এবং এন্টার্কটিকা মহাদেশের মতোই কেবল উত্তর মহাসাগরের উত্তর প্রান্তে বৎসরের ১২ মাসই তাপমাত্রা শূন্য থাকে এবং আমি কেবল পূর্বেই বলে গিয়েছি যে সূর্যটার আলো ও তাপ পৃথিবীর জন্য যথেষ্ট নয় এবং যাহার কারনে পৃথিবীর উত্তর মেরুতে আর পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে ঐ সূর্যের আলো ও তাপ পৌছাতে পারেনা বলেই কেবল পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিন মেরুতে বৎসরের বার মাসই কেবল বরফ থাকে এবং সূর্যটা পৃথিবীর জন্য যথেষ্ট নয় তাহার প্রমান নিম্নে দেওয়া হলও তাহা আপনারা ভালো করিয়া পরিয়া ভুজে নিবেন ভুল করিবেন না
৪ চতুর্থ সাধারণত্ব আপনারা একটা দিক ভাল করিয়া ভুজতে চেষ্টা করুন যেমন আমাদের পৃথিবীতে ঋতুর পরিবর্তন হবার কারন হচ্ছে কেবল মাত্র দুইটা এবং প্রথম টা হচ্ছে কেবল ঋতুর পরিবর্তন হবার কারন এই যে যদি ঋতুর পরিবর্তন হয় তাহা হইলে আমরা গরমকাল কেমন আর শীতকাল কেমন তাহা দোনটাই আমরা অনুভব অথবা উপভোগ করিতে পারিলাম দিতিয়ত আমরা ঋতুর পরিবর্তনের কারনে শীতকালীন গরমকালিন উবয় কালিন শাক সব্জি আমরা খাইতে পাড়ি ইহার উপরে বিশ্লেষণ করিয়া পরম করুনা আল্লাহ পাক আমাদের পৃথিবীতে বিশেষ করিয়া ঋতুর পরিবর্তন দিয়েছেন এবং দিতিয় কারন হচ্ছে কেবল যদি পৃথিবীতে ঋতুর পরিবর্তন না হইত তাহা হইলে কেবল পৃথিবীর যেই খানে শীতকাল থাকিত ঐ স্থানে পৃথিবী জন্মের পর হইতে ঐ বৎসরের বার মসই শীতকাল থাকিত ঐ স্থানে কোন দিন গরমকাল হইতনা এবং পৃথিবীর যেই স্থানে গরমকাল থাকিত পৃথিবী জন্মের পর হইতে কেয়ামতের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত ঐ স্থানে শুধু গরমকাল থাকিত কোন দিন ঐ স্থানে শীতকাল হইতনা এবং এই ভাবে যদি বৎসরের বার মাসই শীতকাল থাকে তাহলে সেখানে বিশেষ করিয়া গাছ পালা ব্রিক্ষ তরু লতা অথবা কোন প্রাণীর জন্ম ও হইতনা বেচেও থাকিতে পারিত না এবং যেখানে বৎসরের বার মাসই গরমকাল সেখানেও বিশেষ করিয়া গাছ পালা ব্রিক্ষ তরু লতা প্রাণী বিশেষ কিছুই জন্ম হইতনা বেচেও থাকিতে পারিতনা এবং আমাদের পৃথিবীতে ঋতুর পরিবর্তনের কারনেই বিশেষ করিয়া আমরা সকলেই বেচে আছি
৫ পঞ্চম এখানে বিশেষ করিয়া লক্ষ্য করুন আমাদের পৃথিবীতে প্রতি ছয়মাসে একবার করিয়া ঋতুর পরিবর্তন হইয়া থাকে এবং যখনই ঋতুর পরিবর্তন হয় তখন কিন্তু ঐ দূর আকাশের সূর্যটা এক যায়গাতেই থাকে কিন্তু আমাদের পৃথিবীটা বৎসরে ছয়মাস উত্তর দিকে কাইত হইয়া ঘুরতে থাকে আবার ছয়মাস দক্ষিন দিকে কাইত হইয়া ঘুরতে থাকে এবং এই ভাবেই যখন আমাদের পৃথিবীটা উত্তর দিকে কাইত হইয়া ঘুরতে থাকে তখন পৃথিবীর উত্তর মেরুতে সাধারণত্ব শীতকাল থাকে আর এই সময় কেবল পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে সাধারণত্ব গরমকাল থাকে এবং এই সময় টাতে পৃথিবীর উত্তর মেরুটা অনেক নিচে থাকে অথবা সূর্য হইতে অনেক দূরে থাকে যাহার কারনে এই সময়টাতে পৃথিবীর উত্তর মেরুতে সূর্যের আলো ও তাপ যথেষ্ট পরিমানে পায়না বলেই কেবল এই সময় টাতে পৃথিবীর উত্তর মেরুতে অনেক ঠাণ্ডা থাকে এবং আবার ছয়মাস পরে যখন ছয়মাসের জন্য পৃথিবীটা দক্ষিন দিকে কাইত হইয়া ঘুরতে থাকে তখন পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে সাধারণত্ব শীতকাল থাকে আর এই সময় টাতে পৃথিবীর উত্তর মেরুতে সাধারণত্ব গরমকাল থাকে আর এই সময় টাতে পৃথিবীর উত্তর মেরু সূর্যের অনেক কাছে থাকে বলেই কেবল এই সময় টাতে পৃথিবীর উত্তর মেরুতে অনেক গরম অথবা গরমকাল থাকে আর এই সময় টাতে পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে কেবল শীতকাল থাকে তাহার কারন এই সময় টাতে পৃথিবীর দক্ষিন মেরু সূর্য হইতে অনেক দূরে থাকে জাহার কারনে এই সময় টাতে পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে সূর্য হইতে অনেক দূরে থাকার কারনে সূর্যের আলো ও তাপ যথেষ্ট পরিমানে পায়না জাহার কারনে এই সময় টাতে পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে সাধারণত্ব কাল থাকে অথবা অনেক ঠাণ্ডা থাকে
৬ ষষ্ঠ এই ভাবেই আমাদের পৃথিবীটা উত্তুরে দক্ষিনে ছয়মাস পর পর উলুট পালুট খাইয়া ঘুরতে থাকে কিন্তু যতোই উত্তুরে দক্ষিনে কাইত চিত হইয়া ঘুরতেছে না কেন কিন্তু পৃথিবীর উত্তর মেরু উত্তর মহাসাগর আর পৃথিবীর দক্ষিন মেরু এন্টার্কটিকা মহাদেশ কৈ সেখানে তো বিশেষ করিয়া সূর্যের আলো তাপ যথেষ্ট পরিমানে পৌছতে পারেনা যাহার কারনে সেখানে বৎসরের বার মাসই কেবল তাপমাত্রা শূন্য থাকে এবং সেখানে বিশেষ করিয়া বৎসরের বার মাস তাপমাত্রা শূন্য থাকার কারনে বরফ আর বরফ পরিয়া থাকে আর জাহার কারনে সেখানে বিশেষ করিয়া গাছ পালা পশু পাখীর জন্ম হয়না এবং এক কথায় বলা যায় সেখানে তাপমাত্রা শূন্য থাকার কারনেই জন্মের হার অথবা উৎপাদন শূন্য পৃথিবী জন্মের পর হইতেই এবং এই সূর্যটা যদি আমাদের পৃথিবীর জন্য যথেষ্ট হতো তাহা হইলে পৃথিবীর মধ্য ভাগের মতোই কেবল পৃথিবীর উত্তর মেরুতে আর পৃথিবীর দক্ষিন মেরুতে সমান ভাবেই সূর্যের আলো ও তাপ পাইত আর তাহার সাথে পৃথিবীর দক্ষিনে এন্টার্কটিকা মহাদেশেও গাছ পালা ব্রিক্ষ তরু লতা পশু পাখীর জন্ম হইত আর তাহার সাথে মানব প্রাণীরও বস ভাস থাকিত এবং উপরে বর্ণিত কথা গুলো যদি সত্যি অথবা যুক্তি জুক্ত হইয়া থাকে তাহা হইলে কেবল সূর্যটা পৃথিবীর জন্য যথেষ্ট নয় এবং সূর্যটা পৃথিবীর জন্য যথেষ্ট নয় কেবল এখানেই শেষ করিলাম খোদা হাফেজ মোঃ মুস্তাফা কামাল email dmustafa41@yahoo.com
